উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১০ আগস্ট রাত পৌনে ১২টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএসের ৭ নম্বর সড়কের বাসা থেকে সাদা পোশাকের কয়েকজন লোক এসে কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই ব্যারিস্টার আহমেদ বিন কাসেমকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ওই সময় বিতর্কিত আদালতে মীর কাসেম আলীর বিচার চলছিল। মীর কাসেম আলীর শেষ ইচ্ছা ছিল তার অতি স্নেহের পুত্র ব্যারিস্টার আরমান তার নামাযে জানাযায় ইমামতি করবেন। তার সে ইচ্ছাও পূরণ করা হয়নি।

অবশেষে শেখ হাসিনার পতনের পর মুক্ত হলেন ব্যারিস্টর আরমান।