শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকের সামনে এক পদযাত্রা পূর্ব সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।
পরে সেখান থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে আজাদ প্রোডাক্টসের গলি দিয়ে কালভার্ট রোড হয়ে আবার বিজয়নগর এসে শেষ হয়। সরকারের দমন-পীড়ন, গণগ্রেপ্তার ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে, খালেদা জিয়াসহ সব রাজবন্দীদের মুক্তির দাবিতে এবং বিদ্যুৎ গ্যাস ও জ্বালানিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম কমানোসহ ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে পদযাত্রার আয়োজন করে ১২ দলীয় জোট।
মোস্তাফা জামাল বলেন, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে জালিয়াতির নির্বাচন করে ক্ষমতা দখলকারী সরকারের অধীনে এ দেশে আর কোনো জালিয়াতির নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।
পদযাত্রায় অন্যান্য বক্তারা বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি দেশের সাধারণ মানুষকে দিশেহারা করে তুলেছে। সরকার বিদেশি ঋণের টাকায় মেগা-প্রজেক্ট বাস্তবায়ন দেখিয়ে ক্ষুধার্ত জনগণকে উন্নয়নের নামে উপহাস করছে। ঋণের টাকায় অবৈধ সরকারের সঙ্গে থাকা লুটেরা সহযোগীরা ঘি খাচ্ছেন ও বিদেশে টাকা পাচার করছেন।
সরকারের অপকর্মের সমালোচনা করতে গিয়ে দেশপ্রেমিক রাজনৈতিক নেতারা জেল, জুলুম, গুম-খুনের শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন ১২ দলীয় জোটের নেতারা।
ক্ষমতা ছাড়বে না নিয়ত করে সরকার বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ সভা সমাবেশে বাধা দিচ্ছে বলে দাবি করে বক্তরা বলেন, ইতোমধ্যে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনকারী ১৫ জনকে গুলী করে হত্যা করেছে, হাজার হাজার নেতাকর্মীকে জেলে ভরে রেখেছে এ অবৈধ সরকার।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদার পরিচালনায় পদযাত্রা পূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ এলডিপির মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম, জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজহারুল ইসলাম, এনডিপির মহাসচিব আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেল প্রমুখ।
এনএইচ





