ন্যাশনাল লেবার পার্টি-এনএলপি প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ জিয়া বলেছেন, তারেক রহমান ও কোকোকে অর্থপাচার, হাওয়া ভবনের নানাবিধ দূনীর্তির মামলা হতে বাঁচাতে ও তারেকের বিদেশে নির্বিগ্নে সুস্থতার পুর্ব সময় পর্যন্ত আওয়ামীলীগের নিকট বিএনপি’কে বিক্রি করেছেন দেশনেত্রী ও ম্যাডাম বেগম খালেদা জিয়া।
শুধু তাই নয়, তিনি তার বড় সন্তান তারেককে বিএনপি’র দলীয় রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করে পারিবারিক আদর্শ বংশ পরম্পরায় রাখতে চান বলেই দেশ জনতা, মানুষ মানবতাকে বাঁচানোর পরিবর্তে আওয়ামীলীগের নিকট নির্ধারিত একটি সময়ের জন্য তার দল বিএনপি’কে বিক্রি করেছেন।
এ হেন কাজটি করার কারনেই ২৯ ডিসেম্বরের আগে তারেক রহমানের অর্থ পাচার মামলায় নির্দোষ হিসেবে হাইকোর্টের রায় পেয়েছে। তাছাড়া আওয়ামী লীগ আমলে বিচার বিভাগ যেখানে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নয় সেখানে তাদের অপজিশন তারেকের মামলার রায় পজেটিভ হওয়াটা এ সন্ধেহকে আরো গাড় করেছে।
ঘনিভূত হয়েছে জীবন বাঁচানোর তাগিদে তাদের নেতৃত্ব বিকোনোর কাজটি। আর এ সংগত কারণের জন্যেই ২৯ ডিসেম্বর ২০১৩’র মার্চ ফর ডেমোক্রেসির ন্যায় গণতন্ত্র রক্ষার নাটকীয় আন্দোলন কোন প্রাতিষ্ঠানিক রুপ পাইনি।
বিএনপি’র সকল উর্দ্ধতন নেতারা এ দল বিক্রির ঘটনা জানেন যার কারণে সেদিন তারা গা ঢাকা দিয়েছিলেন। কেননা সাজানো আন্দোলনে স্বতস্ফুর্ততা থাকে না বলেই সেদিন এমনটি হয়েছিল।
তিনি ১১ অক্টোবর শনিবার সন্ধায় এনএলপি’র কুষ্টিয়া জেলা নেতৃবৃন্দের সাথে পবিত্র ঈদ-উল আজহা’র ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে বিশিষ্ট সাংবাদিক, কলামিষ্ট ও রাজনীতিক আবদুল্লাহ জিয়া এসব কথা বলেন।
বিএনপির পরিবার রক্ষার অপরাজনীতি থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করতে তরুণ ও উদীয়মান রাজনীতি করার জন্য ইচ্ছুক সর্বজনকে দলেদলে এনএলপি’তে যোগদান করে ২৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্দ্যানে আয়োজিত এনএলপি’র জাতীয় কাউন্সিলে সমবেত হয়ে দেশরক্ষার আন্দোলনে সামনে থেকে জাতীকে নেতৃত্ব দিয়ে একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করার আহবান জানিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
আবদুল্লাহ জিয়া আরো বলেন, বিএনপি রাজনীতি থেকে নিজেদেরকে নির্বাসনে নিয়ে গেছে, আওয়ামীলীগ সরকার কম্পিউটারাইজড শর্টকাট পদ্ধতিতে দেশের ভোটারদেরকে নির্বিগ্নে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেবার আনন্দ বিনষ্ট করে দেশের ৭ কোটি ভোটারের ভোটাধিকারের সুযোগ নষ্ট করে দিয়ে ক্ষমতার চিরস্থায়ী বন্দবস্ত ব্যবস্থা করেছে।
আর এসব কারণেই দুই নেত্রীর দুইদল দেশের মানুষের কাছে হাসি ও তামাসার ক্রিড়নকে পরিণত হয়েছে। রাজনীতির সুন্দর জায়গাটিকে দুই দলের অপরাজনীতি ও সন্ত্রাস বাসা বেঁধে এটিকে নষ্ট করে দিয়েছে।
এ জন্যেই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তি প্রজন্মসহ সকল নবীন ও প্রবীনদেরকে এনএলপির ছায়াতলে দলেদলে আশ্রয় নিয়ে দেশ রক্ষা ও গড়ার ভূমিকা পালন করার জন্য আহবান জানাই। তাই আসুন আর নারী নেতেৃত্বে আমাদের পৌরুষ মর্যাদাকে হেয় না করে পুরুষ হয়ে ও পুরুষ থেকে পুরুষের শাসন ব্যবস্থার দেশ গড়ি।
এসএইচ





