বাংলাদেশ আজ একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে অতিক্রম করছে বলে অভিমত প্রকাশ করে ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি বলেছেন, যে দেশে গণতন্ত্র থাকে না সে দেশে কারোও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয় না। কেউই অধিকার ফিরিয়ে আনতে পারে না। তাই এই গণতন্ত্রহীন রাষ্ট্রে গণতন্ত্র পূর্ণপ্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার আদর্শ অনুসরন করতে হবে।
আজ শনিবার সকালে জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শেরে বাংলা নগরস্থ জাতীয় কবরস্থানে মরহুমের কবরে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ কর্তৃক শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া‘র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি। বক্তব্য রাখেন গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ শাহজাহান সাজু, স্বপন কুমার সাহা, সম্পাদক মোঃ নুরুল আমান চৌধুরী, মোঃ কামাল ভুইয়া, মতিয়ারা চৌধুরী মিনু, নগর সদস্য সচিব মোঃ শহীদুননবী ডাবলু, সদস্য সোলায়মান সোহেল, জিল্লুর রহমান পলাশ প্রমুখ।
এসময় প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের অধিকারী, অকুতোভয় অন্তর্ভেদী দৃষ্টি, দৃঢ় ইচ্ছা শক্তি ও প্রচন্ড আকর্ষনীয় ক্ষমতার অধিকারী সিংহ পুরুষ মশিউর রহমান যাদু মিয়ার জীবনে পাওয়ার চেয়ে ত্যাগই করেছেন বেশী।
তিনি বলেছেন, সরকারের গণবিরোধী অবস্থান ক্ষমতাকে দীর্ঘস্থায়ী করার অপরাজনীতি বাংলাদেশের জন্য অভিশাপ বয়ে আনছে। এ অবস্থা থেকে দ্রুত উত্তরণে সকল দলের অংশগ্রহনে অবাধ-সুষ্ঠু-নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন বিকল্প নাই।
আগামী বাংলাদেশে একটি দেশপ্রেমিক সরকার প্রতিষ্ঠায় জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার লক্ষ্যে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার পদর্শিত আদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক শক্তির উত্থান ঘটাতে হবে।
সাইফুদ্দিন আহমেদ মণি বলেছেন, যাদু মিয়া আজীবন সংগ্রাম করেছেন গণমানুষের মুক্তির জন্য। প্রতিবাদে প্রতিরোধে ও সংগ্রামে তিনি কখনো পিছপা হননি। জীবনের মোহের কাছে তিনি কখনো আত্মসমর্পন করেননি। যাদু মিয়ার রাজনীতি হলো মানব কল্যানবাদের রাজনীতি। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের রাজনীতি।
সভাপতির বক্তব্যে এম.গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, আমাদের সমাজে দেশে কীর্তিমান মানুষদের মূল্যায়ন খুব একটা করতে দেখা যায় না। জীবনের সর্বক্ষেত্রে আমরা সীমাহীন সীমাবদ্ধতার শিকার। আমরা রাজনৈতিক আদর্শগত দ্বন্দ-সংঘাতের চেয়ে ব্যক্তিগত এবং দলীয় কোন্দলে বেশী জড়িয়ে পড়ি। এত সব মতপার্থক্যের মাঝে যে ক’জন ক্ষনজন্মা রাজনীতিক ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধ্বে উঠতে পেরেছেন তাঁদের মধ্যে একজন হচ্ছেন মশিউর রহমান যাদু মিয়া।
তিনি বলেছেন, রক্ত দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ গণতন্ত্রের প্রশ্নে কোনো আপস চলবে না।
বহুদলীয় গণতন্ত্রের জন্যেই স্বাধীনতার সংগ্রাম। সুতরাং স্বাধীনতা আর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা জনগণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামের কোন বিকল্প নাই। গণজাগরণ অথবা গণঅভ্যূথানের মাধ্যমেই চলমান অচল অবস্থা থেকে দেশকে মুক্তি দেয়ার কোন বিকল্প পথ খোলা নাই।
এসটি





