মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়া জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের দাফন তার গ্রামের বাড়ি ফরিদপুরের খাবাসপুরে দাফন করা হবে।

খাবাসপুরের আইডিয়াল ক্যাডেট মাদ্রাসার এককোণে তাকে দাফন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মী ও ফরিদপুরের স্বজনেরা।

নিরাপত্তার জন্য বিপুল সংখ্যক পুলিশ, আমর্ড পুলিশ ও র‌্যাব সদস্য মোতায়েন রয়েছে মুজাহিদের বাড়ি ও আশপাশের এলাকায়।

ফরিদপুর জামায়াতের আমির প্রফেসর আবদুল তাওয়াফ বলেন, 'তিন ভাই ও মায়ের কবরের পাশেই মুজাহিদকে দাফন করার ইচ্ছা ছিল। তবে সেখানে অনুমতি না মেলায় ওই মাদ্রাসায় তাকে দাফন করা হবে।'

শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জামায়াত নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এরপর লাশ নিয়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

অপরদিকে, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফাঁসি কার্যকর হওয়ার পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের (সাকা) চৌধুরীর লাশ দাফনে রাউজানে তার পারিবারিক কবরস্থানে প্রস্তুতি চলছে।

রাউজানের গহিরা গ্রামের সাকা চৌধুরীর পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাকা চৌধুরীর প্রয়াত ভাই সাইফুদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।

শনিবার রাত ১১টার পর থেকে পুলিশ-র‌্যাব ও এপিবিএন সদস্যদের সেখানে অবস্থান নেয়। এছাড়া গহিরা গ্রামে সাকাদের বাড়ি 'বাইতুল বিলাল'র সামনে, গহিরা বাজার ও রাউজানের বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান দেখা যায়।

প্রসঙ্গত, শনিবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে সাকার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এরপর লাশ নিয়ে রাউজানের উদ্দেশে রওনা হন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। 

কেবি