আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারের রায়ে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমরা এ রায়কে অভিনন্দন জানাই।
মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল ২০ দলীয় জোটের ডাকা হরতালে সারাদেশের নৈরাজ্যে নিয়ে বিএনপির মিথ্যচোরের প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে আওয়ামী লীগ।
হাছান মাহমুদ বলেন, নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ক্ষমতায় গেলে আমরা যুদ্ধাপরাধীর বিচার সম্পন্ন করব- এমন ঘোষণা দিয়েছিলাম। এটা তখন কেউ বিশ্বাস করেনি। সকল ভয়-ভীতি উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা এ বিচার কাজ শুরু করেছেন। রায় হচ্ছে, ফাঁসিও কার্যকর হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ বিচার সম্পন্ন করা হবে।
তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট দেশের শান্তি, শৃঙ্খলা, স্থিতি বিনষ্ট করে একটি বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে দেশব্যাপী নৈরাজ্য সৃষ্টি করে চলেছে। ২০১৩ সালের মতো তারা আবারও জনগণের উপর বোমা এবং পেট্রোল বোমা হামলা শুরু করেছে।
হাছান মাহমুদ অভিযোগ করেন, গতকাল এবং গত পরশু এই অপশক্তি হরতাল পালন করার নামে যেভাবে সাধারণ নিরীহ জনগণের উপর হামলা চালিয়ে একজন স্কুল শিক্ষিকাকে হত্যা করেছে, পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করে আরো একজন স্কুল শিক্ষিকা এবং তার পুত্র, কন্যাকে দগ্ধ করেছে, তা কোন সভ্য মানুষের কাজ হতে পারে না, রাজনৈতিক দলের তো প্রশ্নই উঠে না।
তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ এখন পেট্রোল বোমা হামলাকারী, জনগণের উপর হামলাকারী, দুস্কৃতিকারীদের নেতায় পরিণত হয়েছেন। এরা শুধু দুস্কৃতিকারীদের নেতাই নয়, এরা জঘন্য মিথ্যাচারীও বটে।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে একজন ভদ্রবেশী সিরিয়াল মিথ্যাচারী আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, এই সমস্ত ঘটনার নির্দেশদাতা হিসেবে এর দায়-দায়িত্ব বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপি-জামায়াত নেতাদের উপরই বর্তায়।
তিনি বলেন, নোয়াখালীতে শিক্ষিকা হত্যার ঘটনার নির্দেশদাতা হিসেবে মির্জা ফখরুল নিজেই দায়ী। জনগণ তাকেসহ বিএনপি নেতাদের এই ঘটনায় হুকুমের আসামি হিসেবে দেখতে চায়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ বিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ডাবলু, দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, সাবেক প্রতিমন্ত্রী আব্দুল মান্নান খান প্রমুখ।
এমআর, জেএ





