দেশে কোন সুস্থ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক পরিবেশ নেই। দেশে চলছে হত্যা, গুম, সন্ত্রাস ও গণগ্রেফতার। সরকারের মন্ত্রী, এমপি, এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাগণ দেশের সংবিধান ও আইনের কোন তোয়াক্কা করে না।
আজ ১ এপ্রিল এক সংবাদ বিবৃতিতে তিনি একথা বলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করার জন্য ২০ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের ওপর অব্যাহতভাবে অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন চালিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থীগণ প্রশাসনের সহায়তায় ব্যাপকভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছে। কিন্তু ২০ দলীয় জোটের সমর্থিত প্রার্থীগণ মামলার পাহাড় মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকারের মন্ত্রী, এমপি ও সরকারী কর্মকর্তাগণ ইতোমধ্যেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থীগণকে বিজয়ী করার জন্য মাঠে তৎপরতা শুরু করেছে।
গত ৩১ মার্চ গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর, ভূমি প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীসহ ৬ জন এমপি, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গ করে চট্টগ্রামে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মিলিত হন। সে বৈঠকে মন্ত্রী মোশাররফ হোসেন যেকোন মূল্যে তিনটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের বিজয়ী করার ঘোষণা দেন।
নির্বাচন কমিশনার মোঃ শাহনেওয়াজ গত ৩১ মার্চ সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন যে, ‘পুলিশ যদি কাউকে গ্রেফতার করতে চায় সে ক্ষেত্রে কমিশনের কোন অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন হবে না’। তাদের এ সব বক্তব্য থেকেই প্রমাণিত হয় যে, সরকার এবং নির্বাচন কমিশন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায় না।
সরকারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের প্রতিবাদে এবং জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবীতে ২০ দলীয় জোট ঘোষিত কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে পালন অব্যাহত রাখার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
ইআর





