সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের (বীরউত্তম) কবর সরানোর অনুরোধ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

একইসঙ্গে জাতীয় সংসদ ভবনের ‘মূল নকশার বাইরে’যেসব স্থাপনা রয়েছে, তা সরানোরও অনুরোধ করেন।

আজ (২৯ জুন) শনিবার জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে মোজাম্মেল হক এই অনুরোধ জানান।

মোজাম্মেল হক বলেন, “জাতীয় সংসদ চত্বরে মূল নকশার বাইরে জিয়ার কবরসহ যেসব স্থাপনা হয়েছে, এখানে আরও কিছু কবর দেওয়া হয়েছে, সেগুলো অপসারণের অনুরোধ করছি।”

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন,“শোষিতদের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) গঠন করেছিলেন।”

বাজেট আলোচনায় মোজাম্মেল হক বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে জিয়া ও তার তাবেদাররা সবাই মিলে যে বাকশালকে গালিতে পরিণত করেছিল। বস্তুত বাকশালের মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দলকে বন্ধ করা হয়নি। রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করে জাতীয় দল গঠন করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগেকেও তখন স্থগিত করা হয়ছিল।”

“বাঙালির মুক্তি ও শোষিতের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছিল তাছাড়া বাংলার মানুষের মুক্তি আসতে পারে না। তা বিগত দিনে প্রমাণিত হয়েছে। আজকের প্রধানমন্ত্রী সেই অর্থনীতিতে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।”

গত নবম ও দশম জাতীয় সংসদের একাধিক বৈঠকে জাতীয় সংসদ চত্বর থেকে জিয়াউর রহমানের কবরসহ লুই আই কানের নকশা বহির্ভূত স্থাপনা সরানোর বিষয়ে কথা ওঠে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও জাতীয় সংসদ সচিবালয় উদ্যোগী হয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে লুই কানের মূল নকশা ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সংগ্রহ করে।

এমবি