দৈনিক আমারদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান বলেছেন, এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে না পারলে হিটলারের জার্মানীর দশা আমাদের ভোগ করতে হবে।
আজ শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আমার দেশ পরিবার আয়োজিত দৈনিক আমার দেশসহ বন্ধ মিডিয়া খুলে দেয়ার দাবীতে এক প্রতিবাদ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
মাহমুদুর রহমান বলেন, সরকার ও সংসদ যে অবৈধ এই সরকার যে জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল করে আছে সেই উদ্যোগ আমরা দেখতে চাই। তিনি বলেন, সরকারের মন্ত্রীরা যে বক্তব্য দিচ্ছেন তাতে প্রতিদিন আদালত অবমাননা হচ্ছে। তিনি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে আমার দেশকেও মুক্ত করার আহ্বান জানান।
ডিইউজের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদারের সঞ্চালনায় এতে বক্তৃতা করেন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি রুহুল আমি গাজী, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের অধ্যাপক ডা. এজেড এম জাহিদ হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আনহ আক্তার হোসেন, বিএফইউজের সাবেক মহাসচিব এমএ আজিজ, বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শহিদুল ইসলাম, শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, ইঞ্জিনিয়ার রিয়াজুল ইসলাম রিজু, কৃষিবিদ নেতা শামীমুর রহমান শামীম, জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক ইলিয়াস খান, সাংবাদিক আবদুল আউয়াল ঠাকুর, কাজিম রেজা, ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে সূচনা বক্তব্য দেন আমার দেশ এর নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ।
মেজর জেনারেল (অবঃ) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের দূরদর্শীতা আজ বেশি প্রয়োজন। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে ট্রানজিট নিয়ে যে চুক্তি করেছে, আমার ভয় হয় সিকিমের অবস্থা এখানেও হয় কি না।
সাংবাদিক নেতা রুহুল আমীন গাজী বলেন, আদালত অবমাননার আইনটি যেনো সরকারের প্রভাবশালীদের জন্য নয়, শুধু মাহমুদুর রহমানের জন্যে। মন্ত্রীরা প্রতিদিন আদালত অবমাননামূলক বক্তব্য রেখে যাচ্ছেন। অথচ আদালত আজ চুপ।
উল্লেখ্য, আমার দেশ প্রেস তালাবদ্ধ করে পত্রিকাটি বন্ধ করে রাখার ৪ বছর ৪ মাস অতিবাহিত হচ্ছে। দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি, চ্যানেল ওয়ানসহ অসংখ্য মিডিয়া বন্ধ করায় শত শত সাংবাদিক কর্মচারী আজ বেকার হয়ে পড়েছে।





