বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডাঃ শফিকুর রহমান বলেন, সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করার জন্য জনগণের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বলে আখ্যায়িত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, হাজার হাজার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিরাপত্তা চাদরের মধ্যে পেট্রোল বোমা মারা হচ্ছে। ২০ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে বোমাবাজদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবী জানানো সত্বেও হাতে-নাতে তাদেরকে গ্রেফতার করতে পারছে না।
অন্যদিকে বেশ কিছু স্থানে বোমাসহ ছাত্রলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা ধরা পড়েছে। এদের অনেককে ছাড়িয়েও নেয়া হয়েছে। পত্র-পত্রিকায় এদের নামসহ খবর প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু কর্তৃপক্ষ তাদের ব্যাপারে কোন কথা বলছে না। অথচ বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের শান্তিপূর্ণ মিছিল বের করার চেষ্টা করলেই তাদেরকে সরাসরি গুলি করা হচ্ছে।
অনেককে গুম করে হত্যা করা হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরাও গুম, হত্যার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ ২০ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করা হচ্ছে।
এ সকল ঘটনায় প্রমাণ করে যে সরকার পরিকল্পিত উপায়ে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে বিরোধী দলের আন্দোলনকে নস্যাৎ করতে চাচ্ছে। প্রতিনিয়তই জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ ২০ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
আজ ঢাকা, চাঁদপুর, গাইবান্ধা, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, বাগেরহাট, রাজশাহী, পঞ্চগড়সহ সারাদেশের জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ ২০ দলীয় জোটের প্রায় দেড় শতাধিক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদের মধ্যে পঞ্চগড় জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর জনাব আবদুল খালেকও রয়েছেন। এছাড়াও লক্ষীপুরে কমলনগর উপজেলায় গুলি চালিয়ে ২জনকে আহত করেছে। আমি সরকারের এই রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সেই সাথে ২০ দলের নেতা-কর্মী ও জনগণকে সরকারের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করতে আহ্বান জানাচ্ছি।”
এমকে





