একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ রাষ্ট্রপতির কাছে মার্সি পিটিশন করেননি বলে জানিয়েছেন তার ছোট ছেলে আলী আহমদ মাবরুর।
আজ (রোববার) রাত সাড়ে ১২টার দিকে পিতার সাথে শেষ সাক্ষাতের পর এ কথা বলেন মাবরুর।
বাবা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন বলেও জানান মাবরুর।
মাবরুর আরো বলেন, বাবা কোনো মার্সি পিটিশন করেননি। দেশবাসীর কাছে তার দল এবং তাকে হেয় ও কলঙ্কিত করার জন্য এই মিথ্যা নাটক করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাবা রাষ্ট্রপতির কাছে একটি চিঠি লিখে উনার বিচারের নানা ক্রটিপূর্ণ দিক তুলে ধরেছেন। রাষ্ট্রপতির কাছে বিচারের যাবতীয় অসংগতি তুলে ধরে বলেছেন কিভাবে উনাকে ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সেখানে প্রাণভিক্ষার কোন কথাই ছিল না।
উল্লেখ্য শনিবার রাত সাড়ে ৯টার কিছু পরে পরিবারের মোট ২৫ সদস্য কারা ফটকে এসে পৌঁছান। পরে রাত পৌনে ১১টার কিছু পরে তাঁরা কারাগারে প্রবেশ করেন। রাত ১২টা ২০ মিনিটের দিকে তাঁরা বের হন।
এদের মধ্যে ছিলেন মুজাহিদের স্ত্রী তামান্না-ই-জাহান, ছেলে আলী আহমেদ মাবরুর, আলী আহমেদ তাহকিক, আলী আহমেদ তাসবিদ, মেয়ে সামিয়া তাসনিন, মুজাহিদের বড় ভাই আলী আফজাল খালেছ, ছোট ভাই আলী আজগর আসলাম প্রমুখ।
পরিবারের সদস্যরা কারাগার থেকে বের হয়ে সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
পরে আলী আহমেদ মাবরুর জানান, পরিবারের সদস্যরা মুজাহিদের সঙ্গে ২০ মিনিট কথা বলেছেন। প্রথমেই তিনি জানিয়েছেন, তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে কোনো প্রাণভিক্ষার আবেদন করেননি।
আলী আহমেদ মাবরুর আরো বলেন, ‘বাবা বলেছেন, আমি কোনো অপরাধ করিনি। তাহলে কিসের মার্সি পিটিশন। আমি দুনিয়াতে বিচার পাইনি। আখেরাতে বিচার পাব।’
কেবি





