১০৮ জন তরুণ নেতা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হতে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এদের মধ্যে সভাপতি পদে ৪২ জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ৬৬ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন।

রোববার (১৮ আগস্ট) ছিল মনোনয়নপত্র বিক্রির শেষ দিন। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর এই দুই পদের নেতা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে, যাতে সারাদেশের ছাত্রদলের ১১৭টি সাংগঠনিক ইউনিটের ৫৮০ জন কাউন্সিলর ভোট দেবেন।

মনোনয়নপত্র বিক্রির শেষ দিনে মনোনয়নপ্রত্যাশীদের সাথে আসা কর্মী-সমর্থক শিক্ষার্ধীদের ভিড়ে নয়াপল্টনের কার্যালয় ‘খালেদা জিয়ার মুক্তি চাই, মুক্তি চাই’শ্লোগানে মুখর ছিলো।

প্রার্থীরা ১’শ টাকা মূল্যের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। প্রার্থীদের কাউন্সিল-২০১৯’র তফসিলসহ একটি ফাইল দেয়া হয়। এতে রয়েছে মনোনয়ন ফরম, আবেদন পত্র, প্রার্থীতার যোগ্যতার নিয়মাবলী, আচরণবিধি, পুণঃতফসিলের কপি, প্রত্যায়নপত্র ও ভোটার তালিকা।

তফসিল অনুযায়ী- মনোনয়নপত্র জমাদান ১৯ ও ২০ আগস্ট, বাছাই ২২, ২৩, ২৪, ২৫, ২৬ আগস্ট এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার ৩১ আগস্ট। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে ০২ সেপ্টেম্বর। প্রার্থীদের প্রচারনা ০৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ সেপ্টেম্বর মধ্য রাত পর্যন্ত।

এই নির্বাচন সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য সাবেক ছাত্রদল নেতা খায়রুল কবির খোকনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটি, ফজলুল হক মিলনের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বাছাই কমিটি ও শামসুজ্জামান দুদু’র নেতৃত্বে ৩ সদস্যের আপীল কমিটি গঠন করা হয়।  

মনোনয়নপত্র প্রদানের এই অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু বলেন, এই নির্বাচনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে মেধাবী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব গড়ে তোলা। সব কিছুর লক্ষ্য হচ্ছে একটি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা, নিজের অধিকারের বাংলাদেশকে সামনে নিয়ে আসা।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ডেমোক্রেসি উইদিন দ্যা পার্টি, সেটা বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনগুলো শুরু থেকে চর্চা করে এসেছে, ছাত্র দল শুরু থেকে এটা করে এসছে। গণতন্ত্রের প্রতি যে অঙ্গীকার এই ধারা তৈরি করেছেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া। এই গণতন্ত্রকে উদ্ধার করতে গিয়েই বেগম জিয়া আজকে কারাগারে।

নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন বলেন, গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনা ও কারাবন্দি বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে ছাত্রদল ভ্যানগার্ড হিসেবে কাজ করবে-এটাই আমরা প্রত্যাশা করি।

সভাপতি পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা হলেন: মো. মামুন খান, মোস্তাফিজুর রহমান, হাফিজুর রহমান, তানভীর আহমদ খান ইকরাম, মো. এরশাদ খান, আমিনুল হাকিম মুন্সি, খলিলুর রহমান, আসাদুল আলম টিপু, আবু জাহান চৌধুরী হিমেল, এম আর আরজ আলী শান্ত, আল আমিন কাউসার, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবন, রিয়াজ মো. তানভীর রেজা, মো. ফজলুল হক নিরব, মো. আব্বাস আলী, জসিম মোল্লা, মো. এহসান মাহমুদ, মো. জুয়েল মৃধা, মাসুদ রানা, মাহমুদুল হাসান বাপ্পী, এবিএম মাহমুদুল আলম সরদার, সোলায়মান হোসাইন, মো. সুরুজ মন্ডল, মো. ইলিয়াছ, মো. আজিম উদ্দিন মেরাজ, আশরাফুল আলম ফকির লিংকন, ফজলুর রহমান খোকন, মাইনুল ইসলাম, মো. আবদুল মাজেদ, বিশ্বজিৎ ভদ্র, আল মেহেদি তালুকদার, সাজিদ হাসান বাবু, সিহাবুর রহমান, এস এম আল আমীন, আবদুল হান্নান, মো. আলী হাওলাদার, এসএম আমিনুল ইসলাম, শামীম হোসেন, মো. আল আমিন, আরাফাত বিল্লাহ খান, নজরুল ইসলাম নাহিদ ও জসিম উদ্দিন।

সাধারণ সম্পাদক পদে প্রত্যাশীরা হলেন: সাইদ মাহমুদ জুয়েল, মো. আলাউদ্দিন খান, এম এ কাইয়ুম, মশিউর রহমান রনি, রাকীবুল ইসলাম রাকিব, এমদাদুল হক মজুমদার, মানসুরা আলম, মো. হামিদ সাজ্জাদ হোসেন, মো. নাঈম হোসাইন, সিরাজুল ইসলাম, মো. হাসান তানজিল হাসান, শেখ আবু তাহের, মো. তাবিবুর রহমান, এম সাখাওয়াত হোসাইন, ডালিয়া রহমান, মিজানুর রহমান সজীব, আজমীর হোসেন, আমিনুর রহমান আমিন, শাহনেওয়াজ, মুন্সি আনিসুর রহমান, আবদুল মোমেন মিয়া, নাজমুল হক হাবিব, আনিসুর রহমান সুমন, এবিএম জহিরউদ্দিন সোহেল, এন রাকীব জুয়েল, মিজানুর রহমান শরীফ, মো. ওমর ফারুক হিমেল, রিয়াদ মো. ইকবাল হোসেইন, একরামুল হাই নাঈম, ওমর ফারুক শাকিল চৌধুরী, মো. আবদুল মান্নান, মো. জামিল হোসেন, ইকবাল হোসাইন শ্যামল, মো. আবুল হাসান চৌধুরী, এএএম ইয়াহিয়া, নুরুল ইমরান মজমুদার শিশু, মো. মহিন উদ্দিন রাজু, আরিফুল হক, আজিজুল হক সোহেল, রাশেদ ইকবাল খান, মো. জোব্ইার আল মাহমুদ রিজভী, মোস্তাফিজুর রহমান, সোহেল রানা, মাজেদুল ইসলাম রুম্মন, মাহমুদুল আলম শাহিন, মো. ইউসুফ কামাল জনি, বাবুল আখতার শান্ত, মো. মিজানুর রহমান, নাদিয়া পাঠান পাবন, জাকিরুল ইসলাম জাকির, আশিকুর রহমান সুমন, মো. জহিরুল ইসলাম দিপু, মো. আল মামুন, মো. সাইদুর রহমান সোহেল, মাহতাব উদ্দিন জিমি, জুলহাস উদ্দিন, আতাউর রহমান, কেএমএস মুসাব্বির, কাজী মাজহারুল ইসলাম, মোহাম্মদ আবুল বাশার, আশরাফুল আলম ফকীর লিংকন, আসাদুজ্জামান, সাদেকুর রহমান সাদিক, আশরাফুল আলম, দেলোয়ার হোসেন, সুলায়মান হোসাইন।

মনোনয়নপত্র প্রদানের অনুষ্ঠানে সাবেক ছাত্র নেতাদের মধ্যে শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এবিএম মোশাররফ হোসেন, আজিজুল বারী হেলাল, শফিউল বারী বাবু, আবদুল কাদের ভুঁইয়া জুয়েল, ছাত্রদলের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির রাজীব আহসান ও আকরামুল হাসান প্রমূখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

এমবি