চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিকারী ও বারবার সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা সংগঠন থেকে ‘বহিষ্কার’ হতে যাচ্ছেন।
দোষীদের তালিকা নিতে এরই মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের চার নেতা।শনিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তারা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পৌঁছান।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের বিবাদমান দুটি পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দোষীদের তালিকা নিয়ে শনিবার রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফিরে গেলেন তারা।
এই তালিকা রোববার (১১ ডিসেম্বর) সকালে জমা দিয়ে ওইদিন দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সূত্রে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের চার নেতা হলেন সহসভাপতি কাজী এনায়েত, আরিফুল রহমান লিমন, শাকিব হাসান এবং যুগ্ম সম্পাদক চন্দ্র শেখর মণ্ডল।
চবি ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু বলেন,‘বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগে বারবার যারা সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগকে সুপারিশ করা হয়েছে।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাটল ট্রেনে জুনিয়র কর্মী সিনিয়রকে সালাম না দেওয়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জের ধরে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। সংঘর্ষে মোট ১৫ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মী আহত হয়।
সংঘর্ষে লিপ্ত ছাত্রলীগের এক পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু ও অন্য পক্ষ সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বি সুজনের অনুসারী।
ওই ঘটনার রেশ ধরেই শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হল ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ শাহ আমানত হলের মূল ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে আবারও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। এসময় একজন আহত হয়।
পরে ছাত্রলীগের এই সংঘর্ষের ইতি টানতে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহ জালাল ও শাহ আমানত হলে তল্লাশি চালিয়ে ৩০ জনকে আটক করে। এসময় এক বস্তা দেশিয় অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়।
মাসুম/মাহমুদ





