এবারকার ঈদযাত্রায় সড়ক-মহাসড়কে কোনো সমস্যা নেই। সমস্যা হচ্ছে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাটে, নদীতে প্রচণ্ড স্রোত। মাওয়া থেকে জাজিরা প্রান্তেও প্রচণ্ড স্রোত। সেখানে মাঝে মাঝে ফেরি বন্ধ হয়ে যায়। নদীর স্রোতের কারণে ফেরি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। যার কারণে গাড়ি আসতে পারছে না বলে জানালেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (৯ আগস্ট) সকালে গাবতলী বাস টার্মিনালে ঈদযাত্রা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে এসে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করছি পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। গতকাল ভারী বর্ষণ ছিল, সিগন্যাল (সতর্ক সংকেত) ছিল, নিম্নচাপের কারণে ঘরমুখো যাত্রা স্বস্তিদায়ক ছিল না। তবে আজ যাত্রা স্বস্তিদায়ক আছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া আর ভারী বর্ষণ না হলে আমার মনে হয় ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হবে। কারণ রাস্তায় কোনও সমস্যা নেই, সমস্যা শুধু ফেরিঘাটে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অতিরিক্ত ভাড়ার বিষয়ে আমরা কঠোরভাবে মনিটরিং করছি। এখানে ভিজিলেন্স টিম আছে। পুলিশ, র‍্যাব, বিআরটিএ কাজ করছে। রংপুরগামী একটি পরিবহন অতিরিক্ত ভাড়া নিচ্ছিল বলে তাদের দুই জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অতিরিক্ত ভাড়া কোনও ভাবেই সহ্য করা হবে না।’

এছাড়া ডেঙ্গু বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় যাতে ডেঙ্গু পরিস্থিতি জটিল না হয়, যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সেজন্য সরকার ও দলের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সেইসঙ্গে মানুষ যেন আতঙ্কিত হয়ে না পড়ে তা নিয়েও কাজ করছে সরকার।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরার পরেই ডেঙ্গু নিয়ে প্রস্তুতিমূলক কর্মতৎপরতা জোরদার হয়েছে। মানুষকে স্বস্তি দিতে এই প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হবে। ভয়াবহ এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে আমাদের সব ডিপার্টমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে প্রস্তুত রয়েছে। ওষুধ এরই মধ্যে এসে গেছে এবং ওষুধ ছিটানোর কাজটা শুরু হয়েছে। গাজীপুর সিটি করপোরেশন অনেক পৌরসভাকে ওষুধ সরবরাহ করছে। মেয়র অনেকগুলো ওষুধ সিঙ্গাপুর থেকে এনেছেন। ঢাকা সিটিরও ওষুধ আসতে শুরু করেছে।

জেড