বিচার বিভাগের উদাসীনতার কারণেই ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার বিচারে বিলম্ব হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন বিচার ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

বুধবার দুপুর রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত “আওয়ামী লীগ নেতা মরহুম আখতারুজ্জামান বাবু’র স্বরণ সভা ও চলমান রাজনীতি” শীর্ষক আলোচান সভায় প্রধান অতিথির বাক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সুরঞ্জিত বলেন, গতকাল (মঙ্গলবার) আইন বিচার ও সংসদীয় স্থায়ী কমিটির একটি বৈঠক হয়েছে। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচারের বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সেখানে পর্যালোচনা করে দেখা গেল বিচার বিভাগের উদাসীনতার কারণেই এ মামলার বিচারে বিলম্ব হচ্ছে।

তিনি বলেন, ২১ আগস্টের মামলা অত্যন্ত আলোচিত। ১১ বছর ধরে এই মামলা পড়ে আছে। ইতোমধ্যে এই মামলা নিয়ে বিচারের নামে নাটক করা হয়েছে। এটা অমার্জনীয়।

এই মামলায় ৪০০ স্বাক্ষী রয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় স্বাক্ষীর চেয়ে অপ্রয়োজনীয় স্বাক্ষীই বেশি। তবে কোর্ট যদি প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পরিচালনা হয়। তাহলে এই মামলা ১১ বছর নয়, ১১ মাসের মধ্যেই শেষ করতে পারেন। আমরা আশা করছি খুব শীগ্রই ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার জনগণ পাবে।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী নিয়ে করা রিটের ব্যাপারে অভিজ্ঞ এ সংবিধান প্রনেতা বলেন, এ রিট অকার্যকর এটা হয় কি করে? এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার পতিদের আরো সম্মনিত করা হয়েছে।  এর মাধ্যমে শুধুমাত্র ‌’৭২’র সংবিধানকে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। তাই এ ব্যাপার নিয়ে  আলোচান করা সময়ক্ষেপন ছাড়া কিছুই নয়।

আওয়ামী লীগের এ প্রবীন নেতা বলেন, পাকিস্তান যা বলে, জামায়াতও তাই বলে। জামায়াত এখনও ‌’৭১’র মত কাজ করে যাচ্ছে।

জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জানের যুদ্ধাপরাদের মামলার রায় খুব দ্রুত কার্যকর করা হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন সুরঞ্জিত।

সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেনর সভাপতিত্বে আলোচান সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য হারুন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধু একাডেমীর মহাসচিব হুমায়ুন কবির মিজি প্রমুখ।

এমআর/এসএইচ/জেআই