নারায়ণঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সংঘর্ষে অন্তত একজন গুলিবিদ্ধসহ ১০জন আহত হয়েছে। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
সোমবার গোদনাইলের ভূঁইয়াপাড়ায় স্থানীয় যুবলীগ নেতা মহাসিন ভূঁইয়া গ্রুপের সঙ্গে ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আমির হোসেন গ্রুপের এ সংর্ঘষ হয়। গুলিবিদ্ধ মোহাম্মাদ আলী, খোকন মোল্লা, কামাল ও মনির হোসেনকে নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ড্রেজার ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আমির হোসেনের সঙ্গে মহাসিন ভূঁইয়ার বিরোধ চলছিল। সোমবার দুপুরে জালকুড়ির মধুগর বিলের একটি প্রজেক্টের খালি জায়গা ভরাট ও ড্রেজারের পাইপ বসানো নিয়ে উভয়পক্ষ বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে কাটা রাইফেল, শর্টগান, রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা যুবলীগ নেতা মহাসিন ভূঁইয়ার পক্ষ নিয়ে লোকজনসহ আমির হোসেনের বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালান।
তবে কাউন্সিলর রুহুল আমিন মোল্লা হামলার কথা অস্বীকার করে বলেন, দু'পক্ষের মীমাংসার জন্য তিনি ওই এলাকায় গেলে আমিরের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে তার সঙ্গী মোহাম্মাদ আলীর শরীরে বিদ্ধ হয়। এদিকে এ ঘটনায় কাউন্সিলরের লোকজন দুপুরে নারায়ণগঞ্জ-শিমরাইল সড়ক অবরোধ এবং আমিরসহ তার সন্ত্রাসী বাহিনীকে গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকে। সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি আবদুল মতিন জানান, আসামিদের গ্রেফতারের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেয়।
এলাকায় অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্তি পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। হামলা, গুলি ও সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানা গেছে।
এসএইচ





