আপনারা মনে করবেন না ক্ষমতায় চিরদিন থাকবেন, যা কিছু করছেন প্রত্যেকটির হিসাব নেয়া হবে। শওকত মাহমুদকে রিমান্ডের আবেদন কেন করা হল, আপনারা যদি সত্যই আইনের শাসনের প্রতি বিশ্বাসী হন তাহলে সাংবাদিক সম্পতি সাগর-রুনির হত্যাকারীদের এনে রিমান্ডে দিন, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যে সকল সাংবাদিকদের হত্যা করা হয়েছে তার বিচার করেন বলে মন্তব্য করেন সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন ও বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতিও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার কর’ র্শীষক এক বিক্ষোভ সমাবেশে রুহুল আমিন গাজী একথা বলেন।

রুহুল আমিন গাজী বলেন, শওকত মাহমুদ একজন সাংবাদিক নেতা। তিনি হঠাৎ করে এখানে এসে অবস্থান নেননি। সাধারণ মানুষের মনে তার কতটুকু স্থান রয়েছে সেটা বিভিন্ন লিখনি ও টিভি টকশোতে বোঝা যায়।

তিনি বলেন, শওকত মাহমুদের মত একজন সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে কোন ধরণের ওয়ারেন্ট না থাকা সত্বেও গ্রেফতার করে সারা রাত বিভিন্ন টালবাহানার পর যখন সরকার নিয়ন্ত্রিত পুলিশ বাহীনি দেখল তার বিরুদ্ধে যত সব মামলা হয়েছে, তার সবক’টি চার্জসিট হয়ে গেছে, পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ীর অন্য দু‌’টি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাকে।

তিনি বলেন, সরকার প্রবীর সিকদারকে রিমান্ড মঞ্জুর করার পর আবার হঠাৎ করে জামিন দিল, এতে আমিও খুশি। কিন্তু শওকত মাহমুদকে গ্রেফতারের পর আবার নতুন করে ৮টি মামলা দিয়ে প্রতিটিতে ১০দিন করে রিমান্ড চাওয়া হয়েছে, পুলিশ এটা কার নির্দেশে করল সেটা জানতে হবে।

গাজী বলেন, শওকত মাহমুদের লিখনিতে ভীত হয়েই সরকার তাকে গ্রেফতার করেছে, সাংবাদিক সমাজের প্রিয় নেতা শওকত মাহমুদকে মুক্ত করতে আমরা কোন স্বারক লিপি দিব না। রাজপথেই আন্দোলন চালিয়ে যাব।আমাদের এ আন্দোলন তাকে মুক্ত না করা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সহকারী মহাসচিব মোদাব্বের হোসাইন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধানসহ অন্যান্য সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

এমএ/এসএইচ