দলকে সাংগঠনিকভাবে আরো শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে বিএনপির নবগঠিত সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটসহ বেশ কিছু বিষয় বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত নয়টা ১০ মিনিটে রাজধানীর গুলশানে চেয়ারপারসন রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
প্রায় দুই ঘন্টাব্যাপি বৈঠকে কমিটি ঘোষণার পর দলের মধ্যে অন্তোষ নিরসন ও সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এক নেতার এক পদ কঠোর ভাবে অনুসরণ, এলক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। এছাড়া ক্ষুব্ধ ও পদ বঞ্চিত এবং কমিটির মধ্যে পদের মূল্যায়ণ ও বিষয়ভিত্তিক কমিটিগুলো গঠনের বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে।
স্থায়ী কমিটির দুই পদসহ নির্বাহী কমিটির আট শুন্য পদ পুরণে কিছু পদে রদবদল করার বিষয়ে আলোচনায় প্রধান্য পেয়েছে বৈঠক সুত্রে জানা গেছে।
এছাড়া,দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকায় সমাবেশ. জাতীয় ঐক্য ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষদের নিয়ে রাজধানীতে জঙ্গিবাদ বিরোধী জাতীয় কনভেশন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
আগামী রোববার রাতে চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে, ২০দলীয় জোটের র্শীষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে বিএনপি।
বৈঠকে খালেদা জিয়াসহ ৮ নেতা উপস্থিত ছিলেন। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, নজরুল ইসলাম খান।
নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় স্থায়ী কমিটিতে নবাগত তিন সদস্য উপস্থিত ছিলেন না। এরমধ্যে সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান লন্ডনে,
আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিদেশে, এবং সালাহ উদ্দিন আহমেদ ভারতে থাকায় উপস্থিত থাকতে পারেননি।
উল্লেখ্য, বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয কাউন্সিলের পর নতুন স্থায়ী কমিটির সদস্যদের নিয়ে এটি প্রথম বৈঠক। গত ১৯ মার্চ বিএনপির কাউন্সিলের প্রায় সাড়ে চার মাস পর গত ৬ আগস্ট বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি ঘোষনা করা হয়। স্থায়ী কমিটির সদস্য সংখ্যা ১৯ জন হলেও দুটি পদ ফাঁকা রেখে ১৭ জনের নাম ঘোষনা করা হয়।
এসএম





