বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহ মামলা হওয়া উচিত। কারণ ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশে ফিরেই তিনি রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন।’
৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের চতুর্থ দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
লন্ডনে দি অ্যাট্রিয়াম অডিটরিয়ামে স্থানীয় সময় বুধবার আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস। সভা পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক কয়সর এম আহমেদ।
তারেক রহমান বলেন, শেখ মুজিব মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে মুক্তিযোদ্ধাদের মরণপণ লড়াই দেখেননি। পাকিস্তানী নাগরিক হিসেবে ফিরে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই শেখ মুজিব কার্যত মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। লালঘোড়া দাবড়ানোর নামে নির্বিচার মুক্তিযোদ্ধা হত্যা তিনিই শুরু করেন। জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করেই ছেড়ে দেন চিহ্নিত যুদ্ধাপরাধীদের।’
তারেক অভিযোগ করে বলেন, ‘শেখ মুজিব ৭ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, ২৫ মার্চও দেননি বরং তাজউদ্দিন আহমেদ তাকে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার আহ্বান জানালে তিনি তাকে নাকে তেল দিয়ে ঘুমানোর পরামর্শ দেন। এ সব তথ্য কি মিথ্যে?’
তিনি বলেন, ‘জনগণকে শেখ মুজিব বিশ্বাস করতে পারেননি। পিতার মতো জনগণের প্রতি শেখ হাসিনারও আস্থা নেই। তাই সংসদ কিংবা সরকার গড়তে তাদের জনগণের ভোট কিংবা সমর্থনের প্রয়োজন হয় না।
তারেক রহমান বলেন, ‘১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের মেধা ও বিচক্ষণতায় বাংলাদেশ অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলতা থেকে রক্ষা পেয়েছে। সেনাবাহিনীতে চেইন অব কমান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণ তাহের-ইনুদের ষড়যন্ত্র প্রত্যাখ্যান করেছে।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তন কিংবা ৭ নভেম্বরের সিপাহী জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যুত্থান কোনো ঘটনাতেই জিয়াউর রহমান ক্ষমতার লোভ দেখাননি। ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান পরিণত হন জাতীয় ঐক্য ও সংহতির প্রতীকে।’
তারেক রহমান বলেন, বর্তমান শেখ হাসিনা সরকার শুধু অবৈধই নয়, কুইক রেন্টালের ভর্তুকির নামে জনগণের ৩৪ হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে। অথচ বিদ্যুৎবিহীন অন্ধকারে নিমজ্জিত বাংলাদেশ।’
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, যুক্তরাজ্য যুবদলের আহ্বায়ক দেওয়ান মোকাদ্দেম চৌধুরী নেওয়াজ, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাসির আহমেদ শাহীন, যুক্তরাজ্য জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন, যুক্তরাজ্য জাতীয়তাবাদী তরুণ দলের যুগ্ম আহ্বায়ক শরফরাজ শরফু প্রমুখ।
সভায় জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের সামগ্রীক দিক তুলে ধরে তারেক রহমানের শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমীনের একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শিত হয়। এ ছাড়াও যুক্তরাজ্য জাসাসের উদ্যোগে জিয়াউর রহমানেরর ওপর লেখা শিল্পী রিজিয়া পারভীনের গাওয়া একটি গানও প্রদর্শিত হয়।
এএইচ

শীর্ষ নিউজ ডটকম, লন্ডন: বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ স্বাধীনতাকামী জণগণকে দিয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা, সাহস ও দিক নির্দেশনা। আর ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ দেশের জনগণকে দিয়েছিলো আধিপত্যবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী অপশক্তির ছোবল থেকে বেরিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা ও দিক নির্দেশনা।
বৃহস্পতিবার পূর্ব লন্ডনের আট্রিয়াম হলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার চার বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের এইদিন ৭ নভেম্বর দেশের জনগণ আবারো শুনতে পেলো একটি কণ্ঠ... আমি জিয়া বলছি। এ কারণেই ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তি যারা একটি সুসংহত সমৃদ্ধ, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ দেখতে চায় তাদের জন্য আবারো এই কণ্ঠটি ছিলো একটি প্রেরণা। একটি সাহস। এর আগেও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী জনগণ এই সাহসী কণ্ঠ শুনেছিল ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস এর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য দেন- বিএনপি নেতা মাহিদুর রহমান, এম এ মালেক প্রমুখ।
কয়সর এম আহমেদের পরিচালনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এ সভাটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠে।

শীর্ষ নিউজ ডটকম, লন্ডন: বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ২৬ মার্চ জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ স্বাধীনতাকামী জণগণকে দিয়েছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার অনুপ্রেরণা, সাহস ও দিক নির্দেশনা। আর ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমানের কণ্ঠ দেশের জনগণকে দিয়েছিলো আধিপত্যবাদী ও ষড়যন্ত্রকারী অপশক্তির ছোবল থেকে বেরিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে একটি গণতান্ত্রিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা ও দিক নির্দেশনা।
বৃহস্পতিবার পূর্ব লন্ডনের আট্রিয়াম হলে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
এ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার চার বছরের মাথায় ১৯৭৫ সালের এইদিন ৭ নভেম্বর দেশের জনগণ আবারো শুনতে পেলো একটি কণ্ঠ... আমি জিয়া বলছি। এ কারণেই ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তির কাছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সকল দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী শক্তি যারা একটি সুসংহত সমৃদ্ধ, স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ দেখতে চায় তাদের জন্য আবারো এই কণ্ঠটি ছিলো একটি প্রেরণা। একটি সাহস। এর আগেও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী জনগণ এই সাহসী কণ্ঠ শুনেছিল ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ।
যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস এর সভাপতিত্বে এতে আরো বক্তব্য দেন- বিএনপি নেতা মাহিদুর রহমান, এম এ মালেক প্রমুখ।
কয়সর এম আহমেদের পরিচালনায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের এ সভাটি প্রাণবন্ত হয়ে উঠে।





