আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ও দলের উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস বলেছেন, আগে ছিলো হাওয়া ভবন। এখন একজন চেয়ারপার্সনের কার্যালয়। এখানে নাইট ক্লাব খোলা হয়েছে। রাত ৯টার পর এই ক্লাব খোলা হয়। সেখানেই বসেই চলে সকল ষড়যন্ত্র। এই ক্লাবের মালিক বেগম খালেদা জিয়া।
শনিবার জাতীয় সংসদে প্রস্তাবিত ২০১৫-১৬ অর্থ বছরের বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়াকে পেট্রোল বোমা ফ্যাক্টরির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, হত্যা, সন্ত্রাস, জ্বালাও, পোড়াও, অগ্নি সংযোগ, নৈরাজ্যের মাস্টার মাইন্ড। পেট্রোল বোমা ফ্যাক্টরির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর খালেদা জিয়া। জঙ্গিবাদের প্রজনন কেন্দ্র, আইএসআই’র এজেন্ট, আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্রের পৃষ্ঠপোষক। তাকে মুক্ত দুনিয়ায় অবাধ বিচরণ করতে দেওয়ার অর্থ দাঁড়ায় লোকালয় বা বসতি ঘরে কালনাগিনী বিষাক্ত গোখরা সাপ পোষা। বিষাক্ত কালনাগিনীকে বিশ্বাস করা যায়, তবে খালেদা জিয়াকে বিশ্বাস করা যায় না। তার দল ও জোটকেও না।
তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া দীর্ঘ দিন আইনের শাসনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে যাচ্ছেন। অতি সম্প্রতি আন্দোলনের নামে ১০০ দিন দেশে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। তার নেতৃত্বাধীন জোট আমাদের অনেক তাজা প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। রাষ্ট্রের হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ নষ্ট হয়েছে।
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, আইন সকলের জন্য সমান। সব ঘটনার মূলে যিনি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থার কথা শুধু পত্রিকায় লিখলেই হবে না। তাকে বিচার করতে না পারলে দেশ পুনরায় বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে ফিরে যাবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য যত দ্রুত সম্ভব আইনের যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। একই সঙ্গে তার কু-পুত্র তারেক রহমানকে লন্ডন থেকে ফিরিয়ে আনার দাবি জানাচ্ছি। নইলে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা পথ নষ্ট হবে।
এমএইচ





