চবিতে সাধারণ ছাত্রদের উপর ছাত্রলীগের অতর্কিত হামলার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ।
সোমবার এক প্রতিবাদ বার্তায় ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল জব্বার ও সেক্রেটারি জেনারেল আতিকুর রহমান,বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ও সেক্রটারি মহিউদ্দিন সরকার এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান।
নেতৃবৃন্দ বিবৃতিতে বলেন, এ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পর ছাত্রলীগ ক্যাম্পাস গুলোতে আরও বেপরোয়া হতে শুরু করে। বিশেষ করে ৫ জানুয়ারী নির্বাচনের পর ১২ জানুয়ারী চবিতে অবৈধভাবে হল দখল করতে যেয়ে সাধারণ ছাত্রদের উপর হায়েনার মত ঝাপিয়ে পড়ে হত্যা করে মেধাবী ছাত্র নেতা মামুনুর রশিদ কে, পঙ্গত্ববরন করে রাহাতসহ কয়েকজন ,আহত করা হয় প্রায় অর্ধশত সাধারন ছাত্রকে।
এতেই তারা ক্ষান্ত হয়নি ,প্রায় প্রতি সাপ্তাহে নতুন নতুন ছাত্রদের উপর হামলা ,ছিনতাই করে সাধারণ ছাত্রদের হয়রানী করে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ২৪শে আগষ্ট রোববার আছর নামাজের পর ছাত্রনেতা তারেক দোকানে চা পান করতে গেলে তার উপর অতর্কিত ঝাপিয়ে পড়ে ছাত্রলীগের গুন্ডা বাহিনী। হামলায় গুলিবিদ্ধ হয় আরবি ১ম বর্ষের মাহমুদুল্লাহ ,আব্দুর রহমানসহ শিবিরের ৫ নেতাকর্মী । আহত হয় অনেকেই। কিন্তু অত্যান্ত দু:খজনক হলেও সত্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নির্যাযিত ছাত্রদের পক্ষে অবস্থান না নিয়ে উল্টো পুলিশ বাহিনী দিয়ে ছাত্রদের হল তল্লাশির নামে নতুন নাটকের জন্ম দেয় এবং সাধারণ ছাত্রদের বের করে দিয়ে হলের প্রধান গেইটে তালা লাগিয়ে দেয়। হয়রানির শিকার হয় শত শত সাধারণ ছাত্র ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে জিঞ্জাসা,কার স্বার্থে ছাত্রলীগ ক্যাডারদের শাস্তি না দিয়ে সাধারণ ছাত্রদের হয়রানী করা হচ্ছে ? প্রশান কি ছাত্রলীগ ক্যাডারদের রক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে ? যদি তা না হয় তাহলে অবিলম্বে সাধারণ ছাত্রদের হল খুলে দিন এবং হয়রানি না করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অপরাধীদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসুন। অন্যথায় সাধারণ ছাত্ররা আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।
বিবৃতিতে সংবাদ কর্মীদের উদ্দেশে বলা হয়, কারো পক্ষ-বিপক্ষ নয়, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করাই আপনাদের দায়িত্ব। সুতরাং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ তুলে ধরুন এবং প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করুন।
ঢাকা, ২৫ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





