যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ। কোনো ছাত্র সংগঠনই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে পারবেনা। এমন নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্রলীগ।
বিশ্ববিদ্যালয় আইন অমান্য করে ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে মিটিং মিছিল করছে। এ ক্ষেত্রে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে বাধা দেয়া হচ্ছে না।

যশোর-চৌগাছা সড়কের আমবটতলায় অবস্থিত যবিপ্রবি একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শুরু থেকে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধ রয়েছে। রাজনীতির নোংরা খেলা না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে সেশন জট ছাড়াই নির্দিষ্ট সময়ে কোর্স সম্পন্ন হচ্ছে।

কিন্তু চলতি বছরের মে মাস থেকে তৎপর হয়ে উঠেছে ছাত্রলীগ। ১৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। যদিও ওই কমিটি নিয়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন নেতারা। কাঙ্ক্ষিত পদ বঞ্চিতরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে হাটে হাড়ি ভেঙে দেয়। তারা দাবি করে স্বজনপ্রীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে তারা নানা অভিযোগ করেন। বতর্মানে ক্যাম্পাসে কমিটি নিয়ে ছাত্রলীগের দুটি গ্রুপ মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি।

সর্বশেষ গত বুধবার ক্যাম্পাসে মিছিল বের করে ছাত্রলীগ। তারা ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়। ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে নিয়মিত কোনো না কোনো কর্মসূচি পালন করছে।

এবিষেয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. আব্দুস সাত্তার বলেন, ক্যাম্পাসে রাজনীতির অনুমতি দেয়া হয়নি। ছাত্রলীগ রাজনীতি করলে তার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নেবে না। এ বিষয়টি সরকারকে দেখতে হবে। সরকার যদি রাজনীতি চালু করে তাহলে সব সংগঠনের রাজনীতির অনুমতি দেয়া হবে।

ঢাকা. ১০ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ