পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট ১৯৭৩ সংশোধনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে যে সম্প্রচার নীতিমালা করা হচ্ছে তা সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করবে বলে অভিযোগ করেছে জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার এক বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান।

সরকার যে সম্প্রচার নীতিমালা চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় সম্প্রতি নির্বাহী আদেশে পত্রিকার প্রকাশনা বাতিলের ক্ষমতা যুক্ত করে দ্য প্রিন্টিং প্রেসেস এ্যান্ড পাবলিকেশন্স অ্যাক্ট ১৯৭৩ সংশোধনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে যে সম্প্রচার নীতিমালা করতে যাচ্ছে তা সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করবে। এ নীতিমালার মাধ্যমে টকশোকেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করে দেশে একদলীয় শাসন কায়েম করার হীন উদ্দেশ্যেই সরকার নতুন সম্প্রচার নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে। বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হরণ করার অসৎ উদ্দেশ্যেই সরকার নতুন সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করতে যাচ্ছে। দেশের স্বাধীনচেতা ও গণতন্ত্রকামী জনগণ কখনো বাক স্বাধীনতা হরণকারী সম্প্রচার নীতিমালা মেনে নিবে না।

তিনি আরও বলেন, খসড়া সম্প্রচার নীতিমালার ব্যাপ্তি এত বড় যে, ‘কোন গণমাধ্যমই সরকার, সরকারী কর্মকর্তা, সরকারী কোন প্রতিষ্ঠানের কোন ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অন্যায়-অবিচারসহ কোন ধরনের সমালোচনা করতে পারবে না। করলে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।’ কোন গণতান্ত্রিক দেশেই এ ধরনের গণতন্ত্র ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণকারী সম্প্রচার নীতিমালা গ্রহণযোগ্য নয়।

সরকার যে গণবিরোধী সম্প্রচার নীতিমালা চূড়ান্ত করেছে তা অবিলম্বে বাতিল করে নিরপেক্ষ সম্প্রচার নীতিমালা কমিটি গঠন। সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীসহ সকলের পরামর্শ এবং মতামতের ভিত্তিতে সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সহায়ক সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করার পরে কমিশন গঠনের জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান ডা. শফিকুর রহমান।

ঢাকা, ৪ আগস্ট (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই