আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদ ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন,শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের মানুষ আজ সুখে আছেন। কিন্তু আমাদের সফলতায় সুখে নেই খালেদা জিয়া। তাই তিনি বিভিন্ন সময় এসব মন্তব্য করে যাচ্ছেন।
 
মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।‘বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই সফলতা, অপশক্তির পরাজয়’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে জনতার প্রত্যাশা নামের একটি সংগঠন।
 
হাছান মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়া তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। আর আজ তিনি এসব মন্তব্য করছেন। তার মুখে এসব অশালীন কথা মানায় না।  কারণ তার নিজের দলের নেতাকর্মীরা কেন্দ্রীয় নেতাদের কার্যালয়ে তালাবদ্ধ করে রাখে। কাউকে কাউকে গণধোলাইও দিয়েছে।  আর নির্বাচনে না যাওয়ার কারণে ভবিষ্যতে তারাই খালেদা জিয়াকে গণধোলাই দেবে।
 
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সমগ্র বিশ্ব নেতৃত্ব আজ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করছে। ফলে বাংলাদেশ আজ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামের নেতৃত্ব পাচ্ছে।
 
আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অমর্ত্য সেনও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নতি দেখে চমকে ওঠেছেন। বিশ্ব ব্যাংক বলেছে বিশ্ব মন্দা সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে গেছে। তারপরও খারেদা জিয়া বলছেন বাংলাদেশের অর্থনীতি না-কি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। আসলে তিনি বিশ্ব ব্যাংক, আইএমএফ’র কোনো প্রতিবেদন পড়েন না।
 
হাছাস মাহমুদ বলেন, খালেদা জিয়া ও ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বর্তমান সরকারকে অবৈধ  বলেন। কিন্তু আমরা যদি অবৈধ হই তাহলে আন্তর্জাতিক সংসদীয় ফোরামের ও কমনওয়েলথ সংসদীয় ফোরামের সভাপতি হলাম কি করে? দেশের যদি মানবাধিকার লঙ্ঘিত হতো তবে আমরা আজ বিশ্ব মানবাধিকার ফোরামের সদস্য নির্বাচিত হতে পারতাম না।
 
তিনি আরও বলেন, মাঝে মাঝে আপনাদের কারণে দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। কারণ আন্দোলনের নামে আপনারা চলন্ত গাড়িতে আগুন দেন, মানুষ পুড়িয়ে মারেন। আর সরকার এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়। এজন্য আপনারা আমাদের অবৈধ বলেন। তবে আমাদের এ সাফল্যের পরও আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত। আর এসব কথা পরিহার করুন।
 
‘উন্মাদের হাতে দেশ’ রুহুল কবীর রিজভীর এ মন্তব্যের প্রতিবাদে তিনি বলেন, রিজভী আহমেদ বিএনপির দফতর সম্পাদক। তিনি সারাদিন দফতরে থাকেন, সেখানেই খাওয়া-দাওয়া করেন, সেখানেই ঘুমান। ফলে তিনি বাইরে না এসে নিজেই উন্মাদ হয়ে গেছেন। আর এ কারণেই তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছেন।
 
সংগঠনের সভাপতি এম এ করিমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন-  আওয়ামী লীগ নেতা হেদায়েতুল ইসলাম স্বপন, শাহে আলম মুরাদ, অধ্যক্ষ শাহজাহান আলম সাজু, জিন্নাত আলী খান জিন্না, ফাতেমা জলিল সাথী, সোহেলী পারভিন মনি প্রমুখ।

জেআই