চূয়াডাঙ্গার সদর উপজেলায় যুবলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১জন নিহত ও ৮ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আজ (সোমবার) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহে বাজার সংলগ্ন এলাকায় এই সংঘর্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগ কর্মী আজিজুল ইসলাম(৩৫) নিহত হয়েছেন। এসময় যুবলীগ কর্মী বুদো মিয়াসহ কমপক্ষে ৮জন আহত হয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাত সাড়ে সাতটার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলা যুবলীগের আহবায়ক ওবায়দুর রহমানের নেতৃত্বাধীন গ্রুপের সাথে স্থানীয় যুবলীগ নেতা নাইম জোয়ার্দারের গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ বাঁধে। চূয়াডাঙ্গার ডিঙ্গেদাহ এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে জানায় পুলিশ।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে নাইম গ্রুপের কর্মী আজিজুলকে ছুরিকাঘাত করে প্রতিপক্ষের কর্মীরা। মারাত্মকভাবে আহত আজিজুলকে রাত ৮টার দিকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

নিহত আজিজুল ইসলাম সদর উপজেলার মানিকদিহি পাড়ার আবুল হোসেনের ছেলে।পুলিশ আজিজুলের লাশ ময়না তদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

এদিকে, রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত যুবলীগের বিবদমান দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ চলে বলে প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়। এ সময় এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষ ভয়ে পালিয়ে যায়।  

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, সংঘর্ষ চলাকাল বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এতে বুদোমিয়াসহ কমপক্ষে ৮জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় ক্লিনিক ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে, নাইম গ্রুপের সাবেক যুবলীগ নেতা আব্দুল কাদের অভিযোগ করেন, যুবলীগের আহ্বায়ক ওবায়দুর রহমান জিপু চৌধুরী ও জিল্লু রহমান গ্রুপের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

অপরদিকে, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক ওবায়দুর রহমান চৌধুরী জিপু জানান, ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। তিনি ঘটনার সময় আলমডাঙ্গায় একটি অনুষ্ঠানে ছিলেন।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, হত্যাকাণ্ডের কারণ তারা এখনও জানেন না, তবে পূর্বশত্রুতার জের ধরে এঘটনা ঘটতে পারে।

কেবি