শুক্রবার বিকেল ৪টায় রাজধানীর বিজয়-৭১ চত্বর থেকে শুরু হওয়া এ মিছিলে দলটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মিছিলপূর্ব সমাবেশে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, জুলাইয়ের শহীদরা ১৯৭১ সালের শহীদদের প্রকৃত উত্তরসূরি। তারা নিজেদের রক্ত দিয়ে প্রমাণ করেছেন যে, লাখো শহীদের রক্তে কেনা এই দেশ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ও জামায়াত তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছে এবং অভ্যুত্থানের নেতৃত্বের একটি অংশ নতুন দল গঠন করে সংসদে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। ফলে জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার মূল দায়িত্ব এখন এই তিন শক্তির ওপর অর্পিত হয়েছে। তিনি পরাজিত শক্তিকে অতীতের ভুলের জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান।

দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, অভ্যুত্থানের দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত শহীদদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ না হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। তিনি অবিলম্বে একটি স্বাধীন কমিটির মাধ্যমে প্রকৃত শহীদদের তালিকা চূড়ান্ত করা এবং ভুয়া নাম বাদ দেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি শহীদ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনকে কার্যকর করার এবং নাটক-চলচ্চিত্রের মাধ্যমে জুলাইয়ের ইতিহাস সংরক্ষণে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার আহ্বান জানান।

প্রতীকী মিছিল কর্মসূচিতে এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবিএম খালিদ হাসান, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতৃবৃন্দসহ অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

এমএম