সরকার বিরোধী ব্যাপক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে না নামলেও এই মুহুর্তে গুম-খুনের প্রতিবাদে রাজপথে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে সোচ্চার থাকবে বিএনপি। দেশব্যাপী গুম, খুন ও অপহরণ বন্ধের দাবিতে আগামী সপ্তাহে সারাদেশে জেলা উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসুচি পালন করা হবে।
শনিবার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সব সদস্যই রাজপথে সোচ্চার থাকার বিষয়টি নিয়ে একমত হয়েছেন। এমনকি নিয়মতান্ত্রিক এসব কর্মসূচিতে বাধা দিলে হরতালের মত কঠোর কর্মসূচিও দেয়ার জন্য অনেকে মতামত তুলে ধরেন।
অন্যদিকে ১৪ মে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নারায়ণগঞ্জ সফরে কোনো প্রকার বাধা দিলে বিএনপির উদ্যোগে ১৭ মে রাজধানীর ডেমরায় জনসমাবেশ করা হতে পারে।
বৈঠকে অংশ নেয়া স্থায়ী কমিটির একজন টাইমনিউজকে বলেন, অতীতে সরকারের জনবিরোধী অনেক ইস্যুতে ধারাবাহিক আন্দোলন করতে না পারার ভুল আর করতে চায় না বিএনপি। তাই সারাদেশের বর্তমান গুম-খুন ও অপহরণের ইস্যুটিতে জনগণসহ সুশীল সমাজকে সঙ্গে নিয়ে এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
তিনি আরও বলেন, এছাড়াও আজকের বৈঠকে দল পূণর্গঠনসহ ঢাকা মহানগরের নতুন কমিটি গঠন নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মামলার বিষয়ে আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্যও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শনিবার রাত সোয় ৯টা থেকে পৌনে ১১টা পর্যন্ত চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে এ সময় উপস্থিত ছিলেন- দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আর এ গনি, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এম তরিকুল ইসলাম, লে.জে (অব) মাহবুবুর রহমান, আ স ম হান্নান শাহ, এম কে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস, ড.আবদুল মঈন খান প্রমুখ।
নারায়ণগঞ্জে নিহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাতে ১৪ মে সেখানে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। যদি এতে বাধা দেওয়া হয় তবে সে স্থানেই সমাবেশ করা হবে।
শনিবার রাতে দলটির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকটি শেষ হয় রাত ১১টায়।
এছাড়া দেশব্যাপী গুম,খুন, অপহরণ ও বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে আগামী ১৮ ও ১৯ মে জেলা ও বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত হয় বৈঠকে।
এদিকে, খালেদা জিয়ার দুর্নীতির দুই মামলার বিচারকার্য পরিচালনা করার জন্য স্থান হিসেবে বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ নির্ধারণের সিদ্ধান্তের বিষয়ে উচ্চ আদালতে রিট করা হবে বলেও বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, এমকে আনোয়ার, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহবুবুর রহমান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আ স ম হান্নান শাহ, তরিকুল ইসলাম, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রমুখ।
[b]ঢাকা,এমএইচ,১১মে(টাইমনিউজবিডি.কম)/কেএ
[/b]
রাজনীতি
গুম-খুনের প্রতিবাদে রাজপথে সোচ্চার থাকবে বিএনপি
সরকার বিরোধী ব্যাপক কর্মসূচি নিয়ে মাঠে না নামলেও এই মুহুর্তে গুম-খুনের প্রতিবাদে রাজপথে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে সোচ্চার থাকবে বিএনপি।





