দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে বিএনপির দেয়া কারণ দর্শানোর নোটিসের (শোকজ) জবাব দিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদ।

দলের সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শোকজের জবাবে কী লিখেছেন জানতে চাইলে রিজভী বলেন, সেটা দলীয় গোপন বিষয়। বলা যাবে না। তবে তিনি বেধে দেয়া সময়ের মধ্যেই শোকজের জবাব দিয়েছেন।

রিজভী আরও বলেন, বুধবার রাতেই তিনি শওকত মাহমুদের দেয়া শোকজের জবাব হাতে পেয়েছেন।

গত ১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের স্বাক্ষরে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শওকত মাহমুদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী অভিযোগ এনে এ বিষয়ে কেনো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে না তার জবাব ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দলীয় কার্যালয়ে জমা দিতে বলা হয়েছিলো নোটিসে।

শওকত মাহমুদ ছাড়াও দলের আরেকজন ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে কারণ দশানো নোটিস দেয়া হয়। তাকে পাঁচ দিনের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে বলা হয়েছে। 

গত ১৪ ডিসেম্বর হতে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

মেজর অব. হাফিজ শোকজের জবাব দেবেন কী না তা জানা যায়নি। তবে শনিবার এ বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলবেন বলে জানা গেছে।

শওকত মাহমুদকে ২০১৬ সালে বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের ভাইস চেয়ারম্যান করা হয়। এর আগে তিনি দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন।

এই সাংবাদিক নেতা জাতীয় প্রেসক্লাবের একাধিকবার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বিএনপি জামায়াতপন্থী সাংবাদিকদের সংগঠন বিএফইউজে ও ডিইউজের নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন। বর্তমানে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক।

এমবি