বর্ণিল আয়োজনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দুই দিনব্যাপী ২০তম জাতীয় সম্মেলন শুরু হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মঞ্চে প্রবেশ করে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শেখ হাসিনা সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার পর অভ্যর্থনা উপকমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাসিমের স্বাগত ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে বক্তৃতার পালা।

পর্যায়ক্রমে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখবেন আমন্ত্রিত দেশি-বিদেশি অতিথিরা। বক্তৃতাপর্ব শেষে সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রথম অধিবেশন শেষ হবে।

জোহরের নামাজের পর দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জেলার সাংগঠনিক লিখিত রিপোর্ট উপস্থাপন করা হবে। সন্ধ্যায় হবে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ভোর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে সম্মেলনে আসতে শুরু করেন অতিথি ও নেতা-কর্মীরা। রাজধানী জুড়ে নেওয়া হয়েছে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১০ হাজার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

উদ্বোধনী অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সম্মেলনে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এ ছাড়া দেশের সাবেক কূটনীতিক ও রাষ্ট্রদূত, খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবী ও সাংবাদিকেরাও আমন্ত্রণ পেয়েছেন।

এদিকে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। সম্মেলন উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক, প্রবেশমুখ ও ঢাকার বাইরের জেলাও সেজেছে নানা রঙের বাতি আর পোস্টার-ব্যানারে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্মেলনে ৬ হাজার ৫৭০ জন কাউন্সিলর অংশ নিচ্ছেন। সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশন হবে দ্বিতীয় দিন রোববার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে। ওই অধিবেশনে নতুন কার্যনির্বাহী সংসদ নির্বাচন করা হবে।

এবারের জাতীয় কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের স্লোগান হচ্ছে, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলেছি দুর্বার, এখন সময় বাংলাদেশের মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার’।

এমবিএইচ