আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতারা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের পদত্যাগ চেয়ে বক্তব্য দেয়ায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

গতকাল সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, অনির্ধারিত আলোচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ কেলেঙ্কারির বিষয় আসে। এসময় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীর বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্যের সূত্র ধরে আরও কয়েকজন নেতা কড়া সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রীর। তারা বলেন, অর্থমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিষয়ে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দল ও সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত হওয়ার আগেই কাউকে দোষী করা ঠিক না। সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা বক্তব্য দিয়ে ক্রাইসিস সৃষ্টি করছেন। কেউ কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে কাঠগড়ায়ও দাঁড়াচ্ছেন। এতে একদিকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী দলের কাছে ইস্যু চলে যাচ্ছে।’
এসময় বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের প্রশংসা করেন নেতারা। আতিউরের পদত্যাগ দাবি করায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের সমালোচনা করে একজন নেতা বলেন, তিনি না বুঝে এমন বক্তব্য দিয়েছেন। দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য মানুষ আশা করে না।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় গভর্নর আতিউর রহমানের কঠোর সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। চাপের মুখে গভর্নর পদত্যাগ করেন। অর্থমন্ত্রী এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা শতভাগ জড়িত। এছাড়া ব্যাংকে আতিউর রহমানের অর্জন শূন্য। তিনি শুধু জনসংযোগের কাজ করেছেন। পরে তিনি সাক্ষাৎকার গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিবৃতি দেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতারা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের পদত্যাগ চেয়ে বক্তব্য দেয়ায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
গতকাল সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, অনির্ধারিত আলোচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ কেলেঙ্কারির বিষয় আসে। এসময় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীর বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্যের সূত্র ধরে আরও কয়েকজন নেতা কড়া সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রীর। তারা বলেন, অর্থমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিষয়ে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দল ও সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত হওয়ার আগেই কাউকে দোষী করা ঠিক না। সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা বক্তব্য দিয়ে ক্রাইসিস সৃষ্টি করছেন। কেউ কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে কাঠগড়ায়ও দাঁড়াচ্ছেন। এতে একদিকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী দলের কাছে ইস্যু চলে যাচ্ছে।’
এসময় বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের প্রশংসা করেন নেতারা। আতিউরের পদত্যাগ দাবি করায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের সমালোচনা করে একজন নেতা বলেন, তিনি না বুঝে এমন বক্তব্য দিয়েছেন। দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য মানুষ আশা করে না।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় গভর্নর আতিউর রহমানের কঠোর সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। চাপের মুখে গভর্নর পদত্যাগ করেন। অর্থমন্ত্রী এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা শতভাগ জড়িত। এছাড়া ব্যাংকে আতিউর রহমানের অর্জন শূন্য। তিনি শুধু জনসংযোগের কাজ করেছেন। পরে তিনি সাক্ষাৎকার গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিবৃতি দেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতারা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের পদত্যাগ চেয়ে বক্তব্য দেয়ায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
গতকাল সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, অনির্ধারিত আলোচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ কেলেঙ্কারির বিষয় আসে। এসময় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীর বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্যের সূত্র ধরে আরও কয়েকজন নেতা কড়া সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রীর। তারা বলেন, অর্থমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিষয়ে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দল ও সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত হওয়ার আগেই কাউকে দোষী করা ঠিক না। সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা বক্তব্য দিয়ে ক্রাইসিস সৃষ্টি করছেন। কেউ কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে কাঠগড়ায়ও দাঁড়াচ্ছেন। এতে একদিকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী দলের কাছে ইস্যু চলে যাচ্ছে।’
এসময় বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের প্রশংসা করেন নেতারা। আতিউরের পদত্যাগ দাবি করায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের সমালোচনা করে একজন নেতা বলেন, তিনি না বুঝে এমন বক্তব্য দিয়েছেন। দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য মানুষ আশা করে না।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় গভর্নর আতিউর রহমানের কঠোর সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। চাপের মুখে গভর্নর পদত্যাগ করেন। অর্থমন্ত্রী এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা শতভাগ জড়িত। এছাড়া ব্যাংকে আতিউর রহমানের অর্জন শূন্য। তিনি শুধু জনসংযোগের কাজ করেছেন। পরে তিনি সাক্ষাৎকার গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিবৃতি দেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতারা। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের পদত্যাগ চেয়ে বক্তব্য দেয়ায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের প্রতিও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
গতকাল সন্ধ্যা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সরকারি বাসভবন গণভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ও দলের কেন্দ্রীয় কাউন্সিল নিয়ে আলোচনা হয়।
বৈঠক সূত্র জানায়, অনির্ধারিত আলোচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ কেলেঙ্কারির বিষয় আসে। এসময় প্রধানমন্ত্রী অর্থমন্ত্রীর বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তার বক্তব্যের সূত্র ধরে আরও কয়েকজন নেতা কড়া সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রীর। তারা বলেন, অর্থমন্ত্রী তার পরিবারের সদস্যদের নানাভাবে সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিষয়ে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন তাতে দল ও সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত হওয়ার আগেই কাউকে দোষী করা ঠিক না। সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতারা বক্তব্য দিয়ে ক্রাইসিস সৃষ্টি করছেন। কেউ কেউ কোর্টের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে কাঠগড়ায়ও দাঁড়াচ্ছেন। এতে একদিকে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে, অন্যদিকে বিরোধী দলের কাছে ইস্যু চলে যাচ্ছে।’
এসময় বিদায়ী গভর্নর আতিউর রহমানের প্রশংসা করেন নেতারা। আতিউরের পদত্যাগ দাবি করায় দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য নূহ উল আলম লেনিনের সমালোচনা করে একজন নেতা বলেন, তিনি না বুঝে এমন বক্তব্য দিয়েছেন। দায়িত্বশীল নেতার কাছ থেকে এমন বক্তব্য মানুষ আশা করে না।
উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় গভর্নর আতিউর রহমানের কঠোর সমালোচনা করেন অর্থমন্ত্রী। চাপের মুখে গভর্নর পদত্যাগ করেন। অর্থমন্ত্রী এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, কেলেঙ্কারিতে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা শতভাগ জড়িত। এছাড়া ব্যাংকে আতিউর রহমানের অর্জন শূন্য। তিনি শুধু জনসংযোগের কাজ করেছেন। পরে তিনি সাক্ষাৎকার গ্রহণযোগ্য নয় বলে বিবৃতি দেন।

এম আর