প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভাবে দেশ চালাচ্ছেন তাতে শেখ হাসিনার রাজত্ব থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ।
বৃহস্পতিবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইউনিস্টিউটে বিএনপির উদ্যোগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৩৪তম শাহাদাত বার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনা যে ভাবে দেশ চালান মুক্তিযোদ্ধারা সে দেশ চাননি। এভাবে চলতে থাকলে শেখ হাসিনার রাজত্ব থাকবে না।
শওকত মাহমুদ বলেন, জিয়াউর রহমান সাংবাদিক ও সংবাদ পত্রের প্রথম স্বাধীনতা দিয়েছেন। বিএনপি ও আওয়ামী লীগের তথাকথিত কিছু সাংবাদিকরা প্রেস ক্লাব দখল করতে চায়। তাদের এ অপচেষ্টা এ দেশের জনগণ মেনে নিবে না।
তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান অত্যান্ত সাহসিকতা নিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। তখন অনেক রাজনীতিবিদ পাকিস্তানের সাথে আঁতাত করে পালিয়ে গেছেন।
শেখ হাসিনার চেয়ে বিএনপির সিনিয়র ভাইসচেয়ারম্যান তারেক রহমান বেশি জনপ্রিয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আলোচনা সভায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার পর প্রধান অতিথি হিসেবে বিকল্প ধারার সভাপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে মনোনীতি করেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করছেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানের সভাপতিত্বে মঞ্ঝে উপস্থিত আছেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, বিগ্রেডিয়ার আ স ম হান্নান শাহ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মোহাম্মাদ ইব্রাহিম বীর প্রতিক, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. মোস্তাহিদুর রহমান, নগর গণস্বাস্থ্যর প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, শওকত মাহমুদ, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, কবি ও কলামিস্ট এরশাদ মজুমদার, যুগ্ম মহাসচিব মো. শাহজাহান।
উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, আব্দুল মান্নান, বিএনপির সাংগঠনিক ফজলুল হক মিলন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, যুব দলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সহ প্রচার সম্পাদক ইমরান সালেহ প্রিন্স, সহ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ দফতর সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করিম শাহীন প্রমুখ। এছাড়া ২০ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এমএইচ/এমকে





