প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আর কত রক্ত চান? আর কত লাশ চান?
তিনি বলেন, ‘অন্তত এই শিশুদের দিকে তাকিয়ে না হয় পরিক্ষার পর আপনার হরতাল অবরোধ দেন।
গণভবনে শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ‘সত্যিই বাংলাদেশের মানুষের দুর্ভাগ্য। যখন দেশ এগিয়ে যায় তখন কেউ না কেউ ব্যাঘাত ঘটায়। আমাদের এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে এগিয়ে যেতে হবে। সহিংসতা প্রতিরোধে যা করার দরকার তাই করব।
প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন,‘তিনি (খালেদা জিয়া) নির্বাচন করতে চাননি। আমি নিজে ফোন করেছি। কত অপমানিত হয়েছি। সে কথা চিন্তা করবে না মানুষ। সব জেনে, দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে আমি ফোন করেছিলাম। ফোন করে যা শুনেছি তাতে তো আমি অভ্যস্ত না। শোক জানাতে গেলাম, দরজা খুলল না। দরজা খুলে বসতে তো দিতে পারত। সেখানে ভদ্রলোক কি কেউ ছিল না যে বসিয়ে বলবে, উনি অসুস্থ।’
এদিকে বৈঠক শেষে সৈয়দ আশরাফ সাংবাদিকদের বলেন যার প্রেট্রোল বোমায় মানুষ মারে তাদের সাথে কিসের সংলাপ।
আজ শুক্রবার রাতে গণভবনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা শেষে বিএনপির সঙ্গে সংলাপের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এভাবেই পাল্টা প্রশ্ন করেন।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘পেট্রলবোমা ও আগুনে পুড়ে যারা মারা গেছে, তারা এর আগে কোনো না কোনো নির্বাচনে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে। তাদের তারা পুড়িয়ে মারছে। বিএনপি একাত্তরের মতো একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। আমরা তো পৃথিবীর বাইরে না। মধ্যেপ্রাচ্যে কী হচ্ছে আমরা তো দেখছি। আসলে শক্তিশালী সরকারের বিকল্প নাই।’
দলের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় চলমান রাজনৈতিক সহিংসতা কঠোর হাতে দমনের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান সৈয়দ আশরাফ।
এআই





