জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের বিরুদ্ধে হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দেয়ার অভিযোগ এসেছে নির্বাচন কমিশনে (ইসি)। অভিযোগ করেছেন রংপুর-৩ আসনে এরশাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সাব্বির আহম্মেদ।

বৃহস্পতিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইসির জনসংযোগ পরিচালক এস এম আসাদুজ্জামান।

লিখিত অভিযোগ পত্রে সাব্বির আহমদে বলেছেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ রংপুর-৩ আসনের নির্বাচনে অংশ নিয়ে হলফনামায় মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন। যা সুস্পষ্ট আচরণ বিধি লঙ্ঘন।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, হলনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা বিএ পাশ উল্লেখ করেন দশম সংসদ নির্বাচনের সময়। তবে সঙ্গে জুড়ে দেন, ১৯৯০ সালে তার সার্টিফিকেট হারিয়ে গেছে।

এতে কেবল ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা একটি সাধারণ ডায়রির (জিডি) কপি জুড়ে দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এতো বছরেও তিনি জিডি কপি দেখিয়ে সনদের দ্বি-নকল কপি তোলেননি।

এদিকের দুদকের মানি লন্ডারিং মামলায় ২০১০ সালে দেয়া তথ্যে তিনি নিজেকে কারমাইকেল কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বলে উল্লেখ করেন। অথচ কারমাইকেল কলেজ থেকে তিনি কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি।

এছাড়া হলফনামায় মামলার যাবতীয় তথ্য উল্লেখ করার কথা থাকলেও তা গোপন করেছেন তিনি।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অর্থের ক্ষেত্রেও তিনি ইসিকে সঠিক তথ্য দেননি। ইউনিয়ন ব্যাংক, আবুধাবিতে তার অর্থ জমা থাকলেও তিনি তা হলফনামায় উল্লেখ করেননি। বরং নির্বাচন কমিশন ও জাতির কাছে তা গোপন করেছেন।

এভাবে মিথ্যা তথ্য দেয়া এবং তথ্য গোপন করায় গণপ্রতিনিধত্ব আদেশ ও নির্বাচনি আচরণ বিধি লঙ্ঘন হয়েছে।

তাই হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদকে নির্বাচিত ঘোষণা করে প্রকাশিত গেজেট বাতিল করা আবশ্যক। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রে সাব্বির আহম্মেদ নিজেকে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশেরও দাবি জানিয়েছেন।

সূত্র: বাংলানিউজ

ঢাকা, ২৫ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম. জেএ