আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, “২০ দলীয় জোট ভাঙনের মুখে। কয়েক দল বিএনপিকে ত্যাগ করেছে। আরও কয়েকটি আলটিমেটাম দিয়েছে। শুধু জোটই নয়, বিএনপিতেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় ভেঙে যাবে দলটি। বিএনপির অনেক নেতাই দিনে রাতে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।”

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে স্বাধীনতা পরিষদের হরতালবিরোধী মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, “বিএনপির ভাঙন রোধ করা এবং যুদ্ধাপরাধীদের রক্ষার জন্য দেশকে অস্থিতীশীল করতেই বিএনপি সোমবার হরতাল ডেকেছে। তারা ২০১৩ সালের মতো জ্বালাও, পোড়াও করে দেশকে অস্থিতীশীল করতে চায়। সরকাররের প্রতি অনুরোধ করবো, এই ষড়যন্ত্রকারীদের সমূলে উৎপাটন করতে হবে।”

তিনি বলেন, “হরতালের নামে নাশকতা, মানুষ হত্যা করলে প্রয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গ্রেফতার করতে হবে।”

এসময় জামায়াতের ডাকা দ্বিতীয় দিনের হরতাল জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও দাবি করেন আওয়ামী লীগের এ প্রচার সম্পাদক।

ড. হাসান মাহমুদ বলেন, ষোড়শ সংশোধনী বিল যেদিন সংসদে উঠলো সেদিন বিএনপি হরতাল ডাকেনি। যেদিন পাস হলো সেদিনও তারা নীরব। বিল পাসের পরের দিনও হরতাল দেননি খালেদা-ফখরুল। তা হলে আজ হরতাল কেন?

বিএনপির চেয়ারপারসন এখনো যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা থেকে সরে আসেননি উল্লেখ করে হাসান মাহমুদ বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচনের পর যে সব বিদেশি গণমাধ্যম আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করেছিল, তারাই আজ বলছে বাংলাদেশে স্থিতিশীল অবস্থা বিরাজ করছে। খালেদা জিয়াকে ছেড়ে তার নেতারা চলে যাচ্ছেন। অর্থাৎ খালেদা জিয়ার পাশে এখন আর কেউ নেই। তিনি হতাশার মধ্যে আছেন।

সংগঠনের সভাপতি সোহরাব খান চৌধুরীর সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা সুজীত রায় নন্দী, উপ-কমিটির সহ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।

ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই