বিএনপি তাদের পরাজয়ের কারণ না খুজে দোষারোপে শান্তি খুঁজছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জনগণের প্রত্যাশা বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।
হানিফ বলেন, বিএনপি নির্বাচনে তাদের পরাজয়ের কারণ না খুজে অন্যের উপর দোষারোপে শান্তি খুঁজছে। নেতাদের লজ্জাস্কর পরিণতি হওয়ার পরও তারা বিপর্যয় সৃষ্টি করছে। বিএনপির এ পরাজয় প্রত্যাশিত।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের এ বিজয় সুনামির মতো। বিশ্বে কারো এমন বিজয় হয়েছে কিনা সেটা জানার বিষয়। নির্বাচনে জনগণ তাদের রায় দিয়েছে। জনবিরোধী কাজ করতে করতে বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপির চরিত্র হচ্ছে গ্রেনেড হামলা, বিচার প্রাঙ্গণে বিচারপতি কে হত্যা, আগুন সন্ত্রাস, দুর্নীতি তালিকাভুক্ত হওয়া। তাদের এসব কুকর্মের কারণে জনগণ তাদেরকে ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা পুলিশের উপর হামলা করেছে, দুর্নীতির দায় থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য আন্দোলন করেছে। তাণ্ডবের কারণে জনগণ অতিষ্ঠ হয়েছে।
এসময় সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, শেখ হাসিনার সফল দেশ পরিচালনার জন্য সবাই তাকে চেনে। সবার কাছে অগাধ বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করেছেন তিনি। দেশে আজ শান্তি, কোন হাহাকার নাই। ১৭ মার্চ জাতিসংঘের তালিকায় স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। এটা আমাদের অর্জন। এজন্য শেখ হাসিনা সকলের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জন করেছেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আলম মুরাদ বলেন, শেখ হাসিনার ক্যারিশম্যাটিক লিডারশিপ এর কারণে নির্বাচনে জয় হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।
প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, স্বপ্ন অনেকেই দেখত পারে, কিন্তু স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার মত মানুষ অনেক কম। শেখ হাসিনা সেটায় করেছেন। তিনি রাষ্ট্রনায়ক থেকে বিশ্ব নেতা হয়েছেন। বাংলাদেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়া গেছেন। বিশ্ব অবাক চোখে বাংলাদেশকে দেখছে।
আলোচনা সভায় স্বপ্ন ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক।
এসময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিনসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী।
এম বিল্লাহ/এমবি





