বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নবম কারাবন্দি দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশে যে গণলড়াই চলছে। তা অচিরেই সফল হবে। খালেদা –তারেকের নেতৃত্বে চলমান এ গণআন্দোলনেই জাতি মুক্তি পাবে। একরোখা বাকশাল হটিয়ে বাংলাদেশের মানুষ এবং জিয়া পারিবার ষড়যন্ত্র মুক্ত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্থানীয় সময় শনিবার রাতে ইষ্ট লন্ডনে অবস্থিত দলীয় কার্যালয়ে যুক্তরাজ্য বিএনপি আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নবম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে এ প্রতিবাদ সভায় আয়োজন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস। পরিচালনা করেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ। আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল হামিদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি আবুল কালাম আজাদ , তৈমুছ আলী, উপদেষ্টা মুজিবুর রহমান মুজিব, সহ-সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন, সাংগঠনিক জসিম উদ্দিন সেলিম, টাওয়ার হ্যামলেট বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজন আলী সাইদ , যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সমবায় সম্পাদক এম হেভেন খান, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক এস এম লিটন, যুক্তরাজ্য জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল আহমদ, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক শামীম আহমদ, যুক্তরাজ্য বিএনপির মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা অঞ্জনা আলম, যুক্তরাজ্য বিএনপির সদস্য আব্দুর রব, আবুল হাসনাত রিপন, যুক্তরাজ্য যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য কামাল আহমদ চৌধুরী, দেওয়ান আব্দুল বাসিত, সোয়ালীন করিম চৌধুরী, আফজাল হোসেন, আব্দুল মুনিব, লাহিন আহমদ, মুনাজের হোসেন, মোহাম্মদ তারেক প্রমুখ।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি শায়েস্তা চৌধুরী কুদ্দুস বলেন, তারেক রহমান স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৭ সালের ৭ মার্চ তারেক রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। পরে দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা মামলা করা হয়।

তিনি বলেন, সরকার তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটি মামলাও এখন পর্যন্ত প্রমাণ করতে পারেনি। বরং একটি মামলায় তিনি খালাস পেয়েছেন। খালাস পাওয়া মামলার বিচারককে হয়রানি করতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) নোটিশ পাঠিয়ে প্রমাণ করেছে আওয়ামী লীগ আইনের শাসনে বিশ্বাস করে না। তারা ভয় ও নিপীড়নের শাসনে বিশ্বাস করে।

যুক্তরাজ্য বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ বলেন, আওয়ামী লীগ ১৯৭৫’র চেয়েও জঘন্য বাকশাল বাংলাদেশর মানুষের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এই দেশ বিরোধী বাকশাল প্রতিষ্ঠার নীল নকশা হয়েছিল ১/১১’র সময়ে।

সেদিন জিয়া পরিবার, বিএনপি ও দেশ প্রেমিক শক্তিকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্র হয়েছিল। স্বাধীনতার ঘোষকের জেষ্ঠ্য সন্তান তারেক রহমানকে গ্রেফতার করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। মিথ্যা মামলা দিয়ে অপপ্রচার চালিয়ে তার চরিত্রে কালিমা লেপনের ষড়যন্ত্র করেছিল আধিপত্যবাদের এজেন্ট ও আওয়ামী লীগাররা। তবে সে ষড়যন্ত্র সফল হয়নি।

বাংলাদেশ রক্ষায় বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন তারেক রহমান। তাদের নেতৃত্বে চলমান গণআন্দোলনে অতি শিগগিরই জাতি মুক্তি পাবে বলে তিনি দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন।

এমআর/কেএইচ