আগামী নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, নিরপেক্ষ ইসির মাধ্যমে। এখানে অন্য কোনো ‘হাঙ্কি-পাঙ্কি’করে লাভ হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ (বুধবার) ‘৬ ডিসেম্বর স্বৈরাচার পতন ও গণতন্ত্র’দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ‘সাগর-রুনি মিলনায়তনে’এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন। এই সভার আয়োজন করে ৯০'র ডাকসু সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য। এতে সভাপতিত্ব করেন ডাকসুর প্রাক্তন ভিপি ও বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আগামী নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, নিরপেক্ষ ইসির মাধ্যমে। এখানে অন্য কোনো ’হাঙ্কি-পাঙ্কি’করে লাভ হবে না। এই দেশের মানুষ সেটাকে মেনে নেবে না, গ্রহণও করবে না। দেশে এবং দেশের বাইরে কোথায় তা গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।
তিনি বলেন, এখানও সময় আছে কথা বলুন, আলোচনা করুন। আলোচনা ছাড়া, কথা বলা ছাড়া গণতন্ত্রকে কখনো সফল করা যায় না। আলোচনার মাধ্যমে আমরা নিশ্চয় একটা পথ বের করতে পারবো, যা জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পূরণ করবে।
নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, ওই আন্দোলন আমাদের রাজনৈতিক জীবনে অনেক গভীর দাগ কেটেছিলো। দুর্ভাগ্য আমাদের, তখন যে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে মানুষ বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছে, সেই স্বৈরাচারের পতন হয়নি।
আলোচনা সভায় তৎকালীন ছাত্রনেতাদের মধ্যে শামসুজ্জামান দুদু, খায়রুল কবির খোকন, হাবিবুর রহমান হাবিব, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, আসাদুর রহমান খান, খন্দকার লুৎফর রহমান, কামরুজ্জামান রতন, অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
এমবি





