৩০শে মে সাবেক রাষ্টপতি ও বিএনপির প্রতিষ্টাতা জিয়াউর রহমানের ৩৫তম মৃত্যু বার্ষিকী। এ উপলক্ষ্যে বিএনপি পনের দিনের কর্মসূচী গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এ কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে মাঠ পর্যায়ে হতাশা, সংশয়, কোন্দল ও তৃণমুল নেতাকর্মীদের যোগাযোগ বাড়ানো এবং কর্মসূচীতে অংশ গ্রহণের মধ্যদিয়ে দলকে চাঙ্গা করতে চায় বিএনপি।

৩০ মে সকাল ৬টায় পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। পরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে জিয়াউর রহমানের মাজারে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দলের সিনিয়র নেতারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাবেন।

পরে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে মাজার প্রাঙ্গণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) উদ্যোগে জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে স্বেচছায় রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করা হবে।

অন্যদিকে সকাল থেকে নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সম্মুখে ড্যাবের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে।

৩০ মে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা মহানগরী বিএনপি’র উদ্যোগে বিভিন্ন স্পটে এতিম ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করবেন। এছাড়া ৩১ মে বিএনপির উদ্যোগে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠন জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে মুলদলের মত বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করবে।        

অনুরূপভাবে জিয়াউর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ও মহানগরীসহ সকল ইউনিট এবং উক্ত ইউনিট সমূহের অধীনস্থ সকল ইউনিট কার্যালয়ে ৩০ মে ভোর ৬ টায় দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হবে।

নিজ নিজ এলাকার আলোচনা সভা, দোয়া-মিলাদ মাহফিল, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, এতিম ও দুঃস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন সহদপ্তর সম্পাদক ছাইফুল ইসলাম টিপু।

স্বধীনতার পর নানা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে অনেক ঘাত প্রতিঘাত সহ্য করে বর্তমান পর্যন্ত এসেছে। সংক্ষিপ্ত আকারে কাউন্সিলের ইতিহাস। বিএনপির প্রথম কাউন্সিল হয় ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকার রমনা বটমূলের খোলা চত্বরে। ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী হন প্রতিষ্ঠাকালীন মহাসচিব। দ্বিতীয় কাউন্সিল হয় ১৯৮২ সালের ফেব্রুয়ারি।

সেই কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও মহাসচিব হন যথাক্রমে বিচারপতি আব্দুস সাত্তার ও ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ১৯৮৯ সালের ৮ ও ৯ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় দলটির তৃতীয় কাউন্সিল। সেই কাউন্সিলে খালেদা জিয়া চেয়ারপারসন এবং সালাম তালুকদার মহাসচিব হন। ১৯৯৩ সালের সেপ্টেম্বরে চতুর্থ কাউন্সিলে খালেদা জিয়া চেয়ারপারসন এবং আব্দুল মান্নান ভূঁইয়া মহাসচিব হন। ২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর পঞ্চম কাউন্সিল হয়।

সর্বশেষ গত ১৯ শে মার্চ কউন্সিল হয় এতে চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয় সিনিয়র ভাইচ চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল এবং দপ্তর সম্পাদক রুহুল কবির রিজভী নির্বাচিত হন।

কিছু সংখ্যক কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেতা নির্বাচিত হলেও এখনো বাকী রয়েছে কেন্দ্র, মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচন দিতে পারেনি দলটি। সবমিলিয়ে নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা আর ক্ষোভ কারণ কাউন্সিলের প্রায় দুই মাস দশদিন পেরিয়ে গেছে। এ সম্পর্কে পত্রিকায় লেখালেখি হলেও কোন ভুমিকা নেই দলটির এ বিষয়ে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষটি এরিয়ে যান।

এক নজরে জিয়াউর রহমান

জন্ম ও শৈশব

জিয়াউর রহমানের জন্ম ১৯ জানুয়ারী ১৯৩৬ সালে বগুড়ার বাগবাড়ীতে। তার বাবা মনসুর রহমান একজন রসায়নবিদ হিসেবে কলকাতাতে সরকারী চাকুরী করতেন। তার শৈশবের কিছুকাল বগুড়ার গ্রামে ও কিছুকাল কলকাতাতে কেটেছে। দেশবিভাগের পর (১৯৪৭) তার বাবা করাচি চলে যান। তখন জিয়া কলকাতার হেয়ার স্কুল ত্যাগ করেন এবং করাচি একাডেমী স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৩ সালে তিনি ঐ স্কুল থেকে তার মাধ্যমিক পরীক্ষা দেন এবং তারপর করাচিতে ডি.জে. কলেজে ভর্তি হন।

পাকিস্তান সামরিক বাহিনীতে জিয়া

১৯৫৩ সালে তিনি কেকুলে পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমীতে শিক্ষানবিস অফিসার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৫ সালে তিনি সেকেন্ড লেফটেনেন্ট হিসেবে কমিশন প্রাপ্ত হন। তিনি সেখানে দুই বছর চাকুরি করেণ, তারপর ১৯৫৭ সালে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে বদলি হয়ে আসেন। তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা বিভাগে কাজ করেন।

১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে তিনি খেমকারান সেক্টরে একটি কোম্পানির কমান্ডার ছিলেন এবং তার কোম্পানি যুদ্ধে বীরত্বের জন্য যে সব কোম্পানি সর্বাধিক পুরষ্কার পায়, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। ১৯৬৬ সালে তিনি পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমীতে একজন প্রশিক্ষক হিসেবে দ্বায়িত্ব পান। সে বছরই তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের কোয়েটা স্টাফ কলেজে কমান্ড কোর্সে যোগ দেন।

১৯৬৯ সালে তিনি জয়দেবপুরস্থ সেকেন্ড ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে নিয়োগ পান। উচ্চ প্রশিক্ষণের জন্য তিনি পশ্চিম জার্মানীতে যান। ১৯৭০ সালে একজন মেজর হিসেবে তিনি দেশে ফিরে আসেন এবং চট্টগ্রামে অষ্টম ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে নিয়োগ পান।

স্বাধীনতার ঘোষণা

২৫ মার্চের কালরাত্রিতে ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যখন এদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর বর্বরের মতো ঘৃণ্য হামলা চালায় তখন এর আকস্মিকতায় দিশেহারা হয়ে পড়ে সবোর্স্তরের জনগণ।

১৯৭১-এর ২৬ মার্চ ঢাকায় পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বর আক্রমণের পর পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামস্থ কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে তিন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হন। তিনি সেনা সদস্যদের সংগঠিত করে পরবর্তীতে তিনটি সেক্টরের সমন্বয়ে জেড ফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে যুদ্ধপরিচালনা করেন।

স্বাধীনতা যুদ্ধ

স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমান যুদ্ধের পরিক্লপনা ও তার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। ১৯৭১ এর জুন পর্যন্ত ১ নং সেক্টর কমান্ডার ও তারপর জেড-ফোর্সের প্রধান হিসেবে তিনি যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বে জন্য তাকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

রাষ্ট্রপতি জিয়া ও বাংলাদেশ

কোনো জাতি বা জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক আচার-বিচার, বিশ্বাস ও প্রবণতাকে সমন্বিতভাবে বলা হয় ‘রাজনৈতিক সংস্কৃতি’। এতে জনসমষ্টির মন-মানসিকতা, আচার-ব্যবহার, মেজাজ-মূল্যবোধ ও ভাব-উদ্দীপনা প্রতিফলিত হয়। রাষ্ট্রনেতারা এসব ধারণ, লালন এবং অনুশীলন করেন। কোনো কোনো রাষ্ট্রনায়ক রাষ্ট্র ও সমাজের এসব বিষয় বৈশিষ্ট্যকে আত্মস্থ করেন এবং নিজ বিশ্বাস, ধ্যান-ধারণা ও নির্দেশনা দিয়ে সমৃদ্ধ করেন।

গতানুগতিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি তার হাতে হয়ে ওঠে স্বকীয় এবং স্বতন্ত্র। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জিয়াউর রহমান ছিলেন এমন এক ব্যক্তিত্ব, যিনি বহমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে নতুন অবয়বে, নতুন কাঠামোতে এবং নতুন উজ্জ্বলায় প্রতিস্থাপন করেন।

বাংলাদেশের এক রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রের দায়িত্ব নেন।

মধ্য আগস্টে সংঘটিত বেদনাদায়ক ঘটনাবলি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে একটি বাঞ্ছিত ভবিষ্যৎ নির্মাণ তার প্রথম চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। একই সাথে দুটো বড় কাজ : ০১. সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং ০২. রাষ্ট্রকাঠামোতে নিয়মতান্ত্রিকতা নিশ্চিত করা তার বড় কর্তব্য হয়ে দাঁড়ায়। সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে তিনি ৭ নভেম্বর, ১৯৭৫ বিপথগামী ‘বিপ্লবীদের’কবল থেকে সেনাবাহিনীকে রক্ষা করেন।

১৯ শে নভেম্বর ১৯৭৬ সালে তিনি প্রধান সামরিক প্রশাষকের দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন।

প্রেসিডেন্ট বিচারপতি আবু সায়েমকে কৌশলে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে ফেলার পর ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পদ অধীষ্ঠ হন।

রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন জিয়া দেশে আবার গনতান্ত্রায়নের উদ্যোগ নেন। তিনি বহুদলীয় গনতন্র চালুর সিদ্ধান্ত নেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন অসম্ভব ধরনের সৎ, কর্তব্যপরায়ণ এবং পরিশ্রমী। তার মৃত্যুর পরে দেখা গেল তিনি পরিবারের জন্য এক ইঞ্চি জমি রেখে জাননি। যারা জিয়াউর রহমানের ছেঁড়া বাক্স, ছেঁড়া গেঞ্জি দেখে উপহাস করেন, তারা নিরাভরণ জীবন সম্পর্কে চিন্তা করতে অসমার্থ্য বলেই ওসব কথা বলেন। পোশাক-আকাশে, আহারে-বিহারে তিনি ছিলেন অসম্ভব সহজ-সরল। তিনি সাফারি পরিধান করতে পছন্দ করতেন। বিদেশ যাওয়ার আগে পোশাকের দৈন্যে তাকে স্যুটকোট বানাতে হয়েছে।

বিলাস-ব্যাসন, আরাম-আয়েশ কখনো তাকে স্পর্শ করতে পারেনি। তিনি ছিলেন অসম্ভব পরিশ্রমী। তিনি নিষ্ঠাবান সময়ানুবর্তী। তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থহীন আনুগত্যকে মূল্য দিতেন। ব্যক্তিগত জীবণে তিনি নিজেও ছিলেন অনুগত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর জেষ্ঠতা অতিক্রম করে যখন অন্য কাউকে সেনা প্রধান করা হয়, তখন তিনি টুঁ শব্দটি করেননি।

তিনি সরকারের প্রতি সব সময় অনুগত ছিলেন। সেনাবাহিনীর উত্তরাধিকার সূত্রে তিনি ছিলেন দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে এক অনন্য ব্যক্তিত্ব। সিদ্ধান্তের জন্য কখনোই ফাইল তার টেবিলে স্তূপকৃত ছিল না। প্রায় প্রতিদিন সকালে বের হতেন। সন্ধ্যায় ফিরে আসতেন।

জিয়াউর রহমান সামরিক বাহিনী এবং রাজনীতিতে সমঝোতা, সহমর্মিতা এবং আস্থার প্রকাশ ঘটাতে চেয়েছেন। মানুষের ওপর এত আস্থা ও বিশ্বাসের মূল্য দিতে হয় তাকে অবশেষে। তার হত্যাকারী ছিল তারই এক বিশ্বস্ত বন্ধু। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম যাত্রার আগেই সামরিক গোয়েন্দাদের তরফ থেকে তাকে সতর্ক করা হয়।

কিন্তু তিনি বিশ্বাসই করতে পারেননি- বিশ্বস্ত বন্ধু তার নিষ্ঠুর ঘাতকে পরিণত হতে পারে। তার অনুপস্থিতিজনিত নেতৃত্বের শূন্যতা তৎকালীন সেনাবাহিনী প্রধানকে উচ্চাকাঙ্খী করে তোলে। সেনাবাহিনীতে পেশাদারিত্ব ফিরিয়ে আনার এবং সেনাবাহিনীকে ক্রমশ রাজনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন করার যে প্রক্রিয়া জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন তার অবসান ঘটে। দেশ নিক্ষিপ্ত হয় সেনাবাহিনীর একনায়কত্বে।

সমসাময়িক রাজনৈতিক সামরিক নেতৃত্বে এটি একটি বিরল ঘটনা। জিয়াউর রহমানের স্বকীয় ‘রাজনৈতিক সংস্কৃতির’ ফসল এটি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি)

১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর জেনারেল জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংক্ষেপে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে বেগম খালেদা জিয়া এর সভানেত্রী।

মৃত্যু

৩০ মে, ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুথানে জিয়া নিহত হন। তাকে শেরে বাংলা নগরে দাফন করা হয়। জেনারেল জিয়ার জানাজা বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ জনসমাগম ঘটে।

মো:মিজানুর রহমান