নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়ে যা হচ্ছে তা আরপিও’র নগ্ন লঙ্ঘনই নয়, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও রীতি-নীতিরও লঙ্ঘন বলে মন্তব্য বলেছেন আওয়ামী লীগের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কো-চেয়ারম্যান এইচ.টি. ইমাম।
আজ (২৫ ডিসেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা বলেন তিনি।
এইচ.টি. ইমাম বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক নিয়ে যা হচ্ছে সেটি শুধু নির্বাচন সম্পর্কিত বাংলাদেশের মূল আইন আারপিও’র নগ্ন লঙ্ঘনই নয়, এটি আন্তর্জাতিক আইন ও রীতি-নীতিরও লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, আরপিও ৯১সি অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী দেশী-বিদেশী পর্যবেক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যে সকল আইনী শর্ত রয়েছে, তার প্রতিপালন আইনী ভাষায় বাধ্যতামূলক। আমরা লক্ষ করেছি আইনের এই বিধান সরাসরি লংঘন করে বিএনপি-জামাতের সাথে সম্পৃক্ত অথবা তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের প্রতি সমর্থনকারী ও সহানুভূতিশীল ৯টি স্থানীয় সংস্থাকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অনুমতি দেয়া হয়েছে। আমরা তাদের অনুমতিপত্র বাতিল করার দাবি জানাচ্ছি।
৯ নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো হলো- ডেমোক্রেসি ওয়াচ, খান ফাউন্ডেশন, লাইট হাউজ, বাংলাদেশ মানবাধিকার সমন্বয় পরিষদ, জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, নবলোক, কোস্ট ট্রাস্ট, শরীয়তপুর ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি এবং নোয়াখালী রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি।
কো-চেয়ারম্যান আরও বলেন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের আইন মেনেই বিদেশী পর্যবেক্ষকগন এদেশে আসবেন। বিদেশী সংস্থা-এ্যানফ্রেল নিয়ে যা বলা হচ্ছে তা অসত্য ও আইন সম্মত নয়। আরপিও ৯১-সি অনুযায়ী এই সংস্থাটি অনুমতি পাওয়ার যোগ্য নয়, কারণ এ্যানফ্রেলের চেম্বার হচ্ছে অধিকার, আর এ্যানফ্রেলের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য সাবেক ডিএজি আদিলুর রহমান শুভ্র।
ইমাম আরো বলেন, ড. কামাল সশস্ত্র বাহিনী নিয়ে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি যথেষ্ট আপত্তিজনক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন। সশস্ত্র বাহিনী সকল দলীয় রাজনীতির উর্ধ্বে। দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক সশস্ত্র বাহিনীর মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এমন বক্তব্য বা বিবৃতি প্রদান থেকে বিরত থাকবেন বলে আমরা আশা করি।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- আখতারুজ্জামান, আরাফাত, সুভাস সিংহ রায়, বিপ্লব বড়ুয়া, তারেক সুজা, কাশেম হুমায়ুন সহ প্রমূখ নেতাকর্মী।
এম বিল্লাহ/এমবি





