বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন বলেছেন, সরকার দেশকে মেধা ও নেতৃত্বশুণ্য করার গভীর ষড়যন্ত্রে অংশ হিসাবেই আব্দুল কাদের মোল্লার দন্ডাদেশ কার্যকর করেছে।

তাকে যথাযথভাবে আইনী প্রতিকার লাভের সুযোগ দেয়া হয়নি। মূলত সাজানো মামলা ও পাতানো সাক্ষীর মাধ্যমেই একজন জাতীয় নেতাকে প্রাণদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে।

কিন্তু হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে আওয়ামী তাদের অবৈধ ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতে পারবে না বরং মজলুম  জনতার রুদ্ররোষে জালিম সরকারের তখতে তাউস তাসের ঘরের মত উড়ে যাবে।

তিনি শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার রূহের মাগফিরাত ও শাহাদাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন এবং জালিম সরকারের পতনের লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

তিনি আজ রাজধানীতে কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া দিবসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী রমনা জোন আয়োজিত শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার শাহাদাত বাষিকী উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে একথা বলেন।

দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী জোন পরিচালক হেমায়েত উদ্দীন, ঢাকা মহানগরীর মজলিশে শুরা সদস্য সালাহউদ্দীন ও মিজানুর রহমান, বনানী সেক্রেটারী সাইফুল ইসলাম, তেজগাঁও সেক্রেটারী নিয়ামুল করিম, ছাত্র নেতা কাওসার, সাবেক ছাত্র নেতা জি এম হাফিজ ও আসাদুল্লাহ প্রমূখ।

সেলিম উদ্দীন বলেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে দলন ও পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। তারা কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষ নেতাদের দীর্ঘদিন আটক রেখে জুলুম-নির্যাতন চালানো হচ্ছে।

ষড়যন্ত্রমূলক ও পরিকল্পিতভাবে একের পর এক জাতীয় নেতাদের প্রাণদন্ডে দন্ডিত করছে। মূলত তারা কথিত বিচারের নামে প্রহসনের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করতে চায়।

কিন্তু জনগণ তাদের সে ষড়যন্ত্র কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না বরং সরকারের যেকোন দেশ ও জাতিস্বত্ত্বাবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি ব্যর্থ ও ফ্যাসীবাদী সরকারের পতনের লক্ষ্যে সকলে দুর্বার গণআন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহবান জানান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেছেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্মূল করে নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতেই সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লাকে দন্ডিত করেছে।

তাকে যথাযথভাবে আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণের সুযোগ দেয়া হয়নি বরং তড়িঘড়ি করে আইনী প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই দন্ডাদেশ কার্যকর করা হয়েছে। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে মানুষ হত্যা করা গেলেও কোন আদর্শকে নির্মূল করা সম্ভব নয়।

তিনি শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার রূহের মাগফিরাত ও শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা এবং সরকারের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

তিনি আজ রাজধানীতে কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর কোতয়ালী থানা আয়োজিত শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার শাহাদাত বার্ষিকি উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথিল বক্তব্যে একথা বলেন।

থানা আমীর আবু আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা মতিউর রহমান, এ কে গিয়াস উদ্দীন, আহাদুজ্জামান, ড. বদরুল আলম, ইসমাইল হোসেন, মোঃ শাহজাহান ও ইদ্রিস আলী প্রমূখ।

মঞ্জুরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, সরকার দেশ পরিচালনায় সার্বিকভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তারা জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান করতে পারেনি। দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে খারাপ পর্যায়ে। সরকারের হত্যা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য অতীতের সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে।

উপর্যুপরি সরকারের সীমাহীন লুটপাট ও দুর্নীতি চলছে সমান তালে। মূলত সরকারের সরকার নিজেদের উপর্যুপরি ব্যর্থতা ঢাকতেই কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জাতীয় নেতৃবৃন্দকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।

কিন্তু জনগণ সরকারের সে ষড়যন্ত্র কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না বরং যেকোন মূলে রুখে দেবে। তিনি সরকারের জুলুম-নির্যাতন মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারী মোবারক হোসাইন বলেছেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই পরিকল্পিতভাবে আইনী প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লাকে হত্যা করেছে।

তারা আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষ নেতাদের হত্যা করার গভীর ষড়যন্ত্রে মেতে উঠেছে। কিন্তু সরকারের সে বিলাস কখনোই সফল হবে না।

তিনি শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার রূহের মাগফিরাত ও শাহাদাত কবুলের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন এবং সরকারের ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান।

তিনি আজ রাজধানীতে কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী পল্লবী থানা আয়োজিত শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার শাহাদাত বার্ষিকি উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা, দোয়া ও দুঃস্থ এবং এতিমদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

পল্লবী থানা আমীর আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য লস্কর মোহাম্মদ তসলিম, জামায়াত নেতা আশরাফুল আলম, মাশকুর রহমান, সাইফুল কাদের ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক হারুন অর রশীদ প্রমূখ।

মোবারক হোসাইন বলেন, মূলত সাজানো মামলা ও পাতানো সাক্ষীর মাধ্যমে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লাকে প্রাণদন্ডে দন্ডিত করা হয়েছে। তাকে যথাযথভাবে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হয়নি।

মূলত মিরপুরের কসাই কাদেরের যাবতীয় অপকর্মের দায়ভার শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার উপর চাপিয়ে পরিকল্পিতভাবে দন্ডিত হয়েছে। তার দন্ডাদেশ কার্যকরের ব্যাপারে যথাযথভাবে আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

তার রিভিউ আবেদন খারিজের পূর্ণাঙ্গ আদেশ প্রকাশের আগেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু শহীদের রক্ত অতীতে কখনো বৃথা যায়নি, আর কখনো যাবেও না। তিনি ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার রক্তের বদলা নেয়া হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত  করেন।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ডা. রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী বলেছেন, সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করার গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসাবেই যথাযথভাবে আইনী প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লাকে হত্যা করছে।

তিনি হত্যা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চালিয়ে অতীতে কোন স্বৈরাচারের শেষ রক্ষা হয়নি, আর আওয়ামী লীগেরও হবে না।

তিনি শহীদ আব্দুল আব্দুল কাদের মোল্লার রূহের মাগফেরাত ও শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন এবং ব্যর্থ সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

তিনি আজ রাজধানীতে শহীদ আব্দুল কাদের মোল্লার শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। থানা আমীর মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী আ ন ম হাসান নো’মান, জামায়াত নেতা আজিজুল হক ও কামাল আখতার কোরাইশী প্রমূখ।

ডা. শাহিদী বলেন, সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে কথিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের নামে জাতীয় নেতাদের হত্যার ষড়যন্ত্র করছে।

কিন্তু সচেতন জনতা সরকারের সে ষড়যন্ত্র কখনোই বাস্তবায়িত হতে দেবে না। তিনি সরকারকে ষড়যন্ত্র ও হত্যার রাজনীতি বন্ধ করে অবিলম্বে অবিলম্বে আমীরে জামায়াত মাওলানা  মতিউর রহমান নিজামীসহ শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিঃশর্ত মুক্তি দাবী করেন। অন্যথায় সৃষ্ট পরিস্থিতির দায়-দায়িত্ব সরকারকেই গ্রহণ করতে হবে।

শ্যামপুর থানাঃ

শ্যামপুর থানা উদ্যোগে রাজধানীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্য রাখেন থানা আমীর মাওলানা রুহুল কুদ্দুস। উপস্থিত ছিলেন থানা সেক্রেটারী মাওলানা নেসার উদ্দীন, জামায়াত নেতা আব্দুর রহীম ও মুহিউদ্দীন প্রমূখ।

মতিঝিল থানাঃ

রাজধানীর দারুসসালাম থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দোয়া অনূষ্ঠান পালন করা হয়। দোয়া অনূষ্ঠনে প্রধান অতিথি ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য মোঃ লুৎফুর রহমান।

থানা আমীর মোঃ কামাল হোসাইনের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত থানা সেক্রেটারী মাকসুদুর রহমান, হামিদুর রহমান, শামসুল বারী, রেজাউল হক, মনসুর ইকবাল, হাফিজ উল্লাহ খান, তৌহিদুল ইসলাম, মঞ্জুরুল করিমসহ জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা।

মিরপুর (পশ্চিম) থানাঃ

রাজধানীর মিরপুর (পশ্চিম) থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দোয়া অনূষ্ঠান পালন করা হয়। থানা আমীর মোঃ মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও থানা সেক্রেটারী নূরুল ইসলাম আকন্দের পরিচালনায় দোয়া অনূষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বেলায়েত হোসেন, তাজুল ইসলামসহ জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা।

দারুসসালাম থানাঃ

রাজধানীর দারুসসালাম থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দোয়া অনূষ্ঠান পালন করা হয়। থানা আমীর মোঃ মুস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে দোয়া অনূষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আবু রায়হান, মাওলানা কাওসারুল আলম, আবু নাহিয়ান, মাওলানা মাসুম বিল্লাহ, জহিরুল ইসলামসহ জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা।

কাফরুল থানাঃ

রাজধানীর কাফরুল থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দোয়া অনূষ্ঠান পালন করা হয়। প্রধান অতিথি মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য লস্কর মোঃ তসলিম। দোয়া অনূষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জামায়াত নেতা আনোয়ারুল করিম, আব্দুল হালিম ভূইয়া, আব্দুল মতিন খান, অহিদুর রহমান তপন, তৌফিকুল ইসলাম বাবু, বোরহান উদ্দিনসহ জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা।

খিলগাঁও থানাঃ

রাজধানীর খিলগাঁও থানা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে দোয়া অনূষ্ঠান পালন করা হয়। দোয়া অনূষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য কবির আহমেদ। দোয়া অনূষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য ও খিলগাঁও থানার সেক্রেটারী সগির বিন সাঈদ, মহানগরীর মজলিসে শুরা সদস্য অধ্যাপক রবিউল ইসলাম, এ্যাডঃ ইব্রাহিম হোসেন খান, আ.জ.ম নাসির উল্লাহ প্রমূখ।

এসএইচ