একদশ জাতীয় নির্বাজনের আগে ভারত সফর করে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। ওই সময় ভারত সরকারের আমন্ত্রণে সফরে যান সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদও। তিনি ভারতের শীর্ষ পর্যায়ের মন্ত্রী, নেতাদের সঙ্গে সে সময় সাক্ষাৎ করেন।

আরও পড়ুন: পল্লিবন্ধু এরশাদের জন্ম থেকে মৃত্যু

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১৯৯০ সালে গণআন্দোলনের মুখে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতন ঘটার পর পরবর্তীতে আর রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে না পারলেও বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার গুরুত্ব ছিল। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পর দেশটির তৃতীয় শক্তি হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রীয় অতিথি হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ।

আরও পড়ুন: পল্লিবন্ধু এরশাদ আর নেই

এ বিষয়ে গত বছরের জুলাইয়ে বিবিসির সঙ্গে কথা হয় দিল্লির থিঙ্কট্যাঙ্ক অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো জয়িতা ভট্টাচার্যের। তার বক্তব্য ছিল, বাংলাদেশে তারা (এরশাদের জাতীয় পার্টি) গুরুত্বপূর্ণ একটি তৃতীয় শক্তি এবং আপনি চান বা না-চান তারা পার্লামেন্টে প্রধান বিরোধী দলও বটে। এর ওপরে এরশাদ নিজে একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান।

এসএম

আরও পড়ুন: এরশাদের উত্থান-পতন