বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ ইসহাক সরকারকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

ইসহাক সরকার এর আগে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে রাজপথের আন্দোলনে সক্রিয় থাকলেও সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থি বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ওঠে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দলের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দলের ভেতর চেইন অফ কমান্ড বজায় রাখা এবং অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা দমনে হাইকমান্ড এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি কঠোর। বিশেষ করে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেকোনো ধরণের বিচ্যুতিকে ছাড় না দেওয়ার যে বার্তা বিএনপি দিচ্ছিল, ইসহাক সরকারের বহিষ্কার তারই প্রতিফলন। এই বহিষ্কারের বিষয়ে জানতে ইসহাক সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোহাম্মদ ইসহাক সরকার ঢাকা-৭ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। আসনটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হামিদুর রহমান হামিদ ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন।

এনএইচ