মঙ্গলবার কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের পানেরছড়া রেঞ্জের বিট কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা বাদী হয়ে রামু থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে রামু উপজেলার সমিতিপাড়ার জসিম উদ্দিন, শাহাব উদ্দিন, আব্দুল্লাহ, জয়নাল, নাজির হোসেন নাজু, আবু তাহের, রাসেল, ওবায়দুল হক, মিজানুর রহমান ওরফে সোনা মিয়া, আবছার, আতিক উল্লাহ, হাবিব আহমদ, মীর আহমদ, মোহাম্মদ নুর, আমির হোসেন, এনাম মিয়া ও ইসমাইলের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া আরও অজ্ঞাতনামা ৮০ থেকে ৯০ জনকে আসামি করা হয়।
সোমবার সকাল ১০টার দিকে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের পানেরছড়া রেঞ্জ এলাকায় ওই হামলার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীরা এই হামলা চালায় বলে অভিওযোগ।
বন বিভাগ বলছে, সংরক্ষিত বনভূমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ পানের বরজ উচ্ছেদে বনকর্মীরা অভিযান চালাতে গেলে স্থানীয় একদল দখলদার সংঘবদ্ধভাবে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রেঞ্জ কর্মকর্তা শরিফুল আলম, ফরেস্ট গার্ড হুমায়ুন কবির, বাগান মালি সাইদুল ইসলাম ও মো. সাজিদ এবং ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের (ইআরটি) সদস্য মিজানুর রহমান গুরুতর আহত হন। হামলায় বন বিভাগের অভিযানে ব্যবহৃত সরকারি সরঞ্জামও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
পরে আহতদের উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত রেঞ্জ কর্মকর্তা শরিফুল আলমের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছে বন বিভাগ।
কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনকালে বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
এমএম