প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে বিএনপির ৩৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করতে হচ্ছে মন্তব্য করে বিএনপির মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, সরকার সারাদেশে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বাধা দিচ্ছে । আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সারা দেশে ৫০টি জেলায় প্রায় ৪০০ উপজেলায় বাধা দেওয়ার খবর পেয়েছি। তারা প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর পোস্টার, ব্যানার, বেলুন উড়াতে দিচ্ছে না।
সোমবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমন্ডলী ও অঙ্গ দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের এক সমন্বয় সভা শেষে এ অভিযোগ করেন তিনি।
১লা সেপ্টেম্বর দলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, ৩রা সেপ্টেম্বর বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৮ম কারামুক্তি দিবস এবং ১১ই সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কারামুক্তির ৮ম বার্ষিকী পালন উপলক্ষে এ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় অসহায়। তাকে যারা মাইনাস করতে চেয়েছিল, যাদের নেতৃত্বে ১৫ আগস্টে ঘটনা ঘটেছিল তাদেরকে মন্ত্রী সভায় স্থান দিয়েছে। আমরা শেখ হাসিনার প্রতি সহানুভুতি জানাই। শেখ মুজিব হত্যায় যারা অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে তাদের গাড়িতে পতাকা উড়ছে। এটা ইনুর জন্য সৌভাগ্য আর প্রধানমন্ত্রীর জন্য দুর্ভাগ্য।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ শেখ মুজিবের মৃত্যুবার্ষিকীর এক আলোচনা সভায় জিয়া পরিবারকে নিয়ে গালিগালাজ করে মিথ্যা বক্তব্য দিয়েছেন। যা সত্যর অপলাপ ছাড়া কিছু নয়। ৭২- ৭৫ সাল পযর্ন্ত জাসদ ও গণবাহিনী সরকারকে অস্থিতিশীল করেছে। গণবাহিনী কোন আইনী বাহিনী ছিলনা। তারা সরকারের বিরুদ্ধে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। শেখ মুজিব হত্যাকান্ড থেকে রক্ষা পেতে জিয়াউর রহমান ও জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা বক্তব্য দিচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু রাজনীতিতে পুরানো কার্ড খেলছেন। পুরানো কার্ডে আর খেলা চলবে না। নতুন কার্ড খেলতে হবে। যখন দেখে তার মন্ত্রীত্ব নড়বড়ে হয়ে যায় তখনই জিয়া পরিবার ও খালেদা জিয়ার নামে মিথ্যাচার করেন প্রধানমন্ত্রীকে খুশী করার জন্য। এ সময়ে তিনি ইনুকে উদ্দেশ্য করে বলেন, কাচের ঘরে থেকে ঢিল ছুড়বেন না।
এ সময়ে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, ছাত্রদলের সহ সভাপতি নাজমুল হাসান, শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, মহিলা দলের সভাপতি নূরী আরা সাফা, ওলামা দলের সভাপতি আব্দুল মালেক, মৎসজীবী দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মাহতাব প্রমুখ।
এমএইচ





