র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) একাদশ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। ২০০৪ সালের এই দিনে বাংলাদেশের এলিট ফোর্স হিসেবে র্যাব প্রতিষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বাহিনীর পতাকা উত্তোলন করেন র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ। এরপর শুরু হয় মহাপরিচালকের দরবার।
বেনজীর আহমেদ বলেন, অনেক সফলতা ও কিছু ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে র্যাব ১১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পা দিয়েছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে জঙ্গি, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, উপকূলীয় দস্যু, চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের দমনে ব্যাপক সফলতা দেখিয়েছে র্যাব।
একইভাবে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ী, জাল নোট প্রস্তুতকারী ও ভেজালবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযানেও উল্লেখযোগ্য সফলতা রয়েছে র্যাবের। কিন্তু নারায়ণগঞ্জের বহুল আলোচিত সাত খুনের ঘটনা র্যাবের জন্য কলঙ্কিত হলেও বিতর্কিত ওই র্যাব সদস্যদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, র্যাব কখনও কোন অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়নি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত অপরাধ বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২১০৪ র্যাব সদস্যের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সময়ে অভিযানে শতাধিক র্যাব সদস্য আহত হয়েছেন।
বর্তমানে বাংলাদেশে জঙ্গি দমনে র্যাবের ভূমিকা কি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সারাবিশ্বেই জঙ্গি রয়েছে। এদেশেও কিছু জঙ্গি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। তবে অতীতে র্যাব যেভাবে জঙ্গিদের দমন করেছে, ভবিষ্যতেও করবে। জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে র্যাবের অবস্থান অনড়।
পরে র্যাবের ডিজি বেনজীর আহমেদ ১৪ শহীদ সদস্যদের পরিবারকে সংবর্ধনা দেন এবং সাহসিকতার জন্য ১০ র্যাব সদস্যদের ও সেবার জন্য ১০ র্যাব সদস্যদের ক্রেষ্ট প্রদান করেন।
এআই/ এআর





