আওয়ামী লীগ দেশে বিভক্তির রাজনীতি শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে কিছুই জানে না, এর সঙ্গে জড়িতও নয়-এমন অর্বাচীন বালক ও স্বঘোষিত মুক্তিযোদ্ধার সন্তানেরা দেশে বিশিষ্ট নাগরিকদের নিয়ে ঔদ্ধত্যপূর্ন বক্তব্য রাখছে। সরকারের প্রচ্ছন্ন মদদেই এমন বক্তব্য দিতে পারছে বলে অভিযোগ করেন ফখরুল।
শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে অধ্যাপক ড. পিয়াস করিমের স্মরনে বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদ আয়োজিত এক নাগরিক স্মরণসভায় তিনি এ কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের চক্রান্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণ দিয়ে প্রতিরোধের চেষ্টা চলছে। এদেশের মানুষের উপর আস্থা আছে আমাদের। এদেশের জনগণ ভুল সিদ্ধান্ত নিবে না। সরকার নীল নকশার মাধ্যমে দেশ ধ্বংস করতে চায়। জনগণ তাদের ক্ষমা করবে না।
তিনি বলেন,অতীতেও আন্দোলনের মাধ্যমে এদেশের মানুষ স্বৈরাচার ও দখলদারদের বিতারিত করেছে। এবারও আন্দোলনের মাধ্যমে এ অবৈধ দখলদার সরকারকে বিতারিত করে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনবে।
বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন, ড. পিয়াস করিম মানুষের অধিকার, স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলার সাহসী সৈনিক ছিলেন। তিনি সত্যিকার অর্থে দেশপ্রেমিক ছিলেন। দেশের মানুষের মুক্তির জন্য কাজ করে গেছেন। দেশ ও মাটির টানে আমেরিকা থেকে দেশে চলে এসেছিলেন। আমরা একজন দেশপ্রেমিককে হারালাম।
তিনি আরো বলেন, ড. পিয়াস করিমের জানাজায় লাখো মানুষের ঢল প্রমান করে তিনি জনপ্রিয় লোক ছিলেন।
ফখরুল শোকসন্তপ্ত পরিবারের সমবেদনা জানিয়ে বলেন, আল্লাহ যেন আমাদের শক্তি দেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াবার।
আয়োজক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিষ্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক, শওকত মাহমুদ, সাংবাদিক শফিক রেহমান, কবি ফরহাদ মাজহার, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফর উল্লাহ, কল্যান পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো: ইব্রাহিম, বিএনপির প্রচার সম্পাদক জয়নাল আবদিন ফারুক, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (একাংশ) সাধারণ সম্পাদক এম এ আজিজ, শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মো: সেলিম ভুইয়া প্রমূখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
এমএইচ





