বিএনপির নেতা সালাহ উদ্দিন আহমদের জামিন আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন শিলং এর জেলা জজ আদালত।
শুক্রবার বিকালে শুনানি শেষে এ আদেশ দেওয়া হয়।
সালাহ উদ্দিন আহমদের জামিন চেয়ে তাঁর স্ত্রী হাসিনা আহমদের করা আবেদনের শুনানি হয় স্থানীয় জেলা আদালতে। ২২ মে উন্নত চিকিৎসার জন্য তিনি এ আবেদন জানান। সরকারপক্ষের কৌঁসুলি জামিনের বিরোধিতা করেন। তবে বিচারক মামলার নথি আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।
আইনি হেফাজতে নেওয়ার পর আজ তৃতীয় দিনের মতো মেঘালয়ের শিলংয়ের নেগ্রিমস হাসপাতালে রয়েছেন বিএনপির নেতা সালাহ উদ্দিন আহমদ। শারীরিক অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় নেগ্রিমসের চিকিৎসকেরা তাঁকে হাসপাতালে পর্যবেক্ষণে রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন। সালাহ উদ্দিন আহমদের আইনজীবী এস পি মাহান্তা শিলং এ তথ্য জানান।
শিলংয়ের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক কে এম লিংদো নংব্রি গত বুধবার দুপুরে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহ উদ্দিনকে দুই সপ্তাহের জন্য আইনি হেফাজতে (কারাগারে) পাঠানোর নির্দেশ দেন। দুই সপ্তাহ পর শুনানির জন্য তাঁকে আবার আদালতে হাজির করতে বলা হয়। তবে আদালতে হাজিরের পর সালাহ উদ্দিন বুকে ব্যথা অনুভবের বিষয়টি উল্লেখ করায় তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তাঁর শুশ্রূষার নির্দেশ দেন আদালত। এরপর কারাগারে পাঠানোর ছয় ঘণ্টার মাথায় বুধবার রাতে তাঁকে আবার নেগ্রিমসে পাঠানো হয়।
১১ মে ভোরে সালাহ উদ্দিন আহমদকে উদ্ভ্রান্ত অবস্থায় ঘুরতে দেখে শিলংয়ের গলফ-লিংক এলাকার লোকজন পুলিশে খবর দেন। পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে পাস্তুর পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যায়। তাঁর প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয় সেখানকার সিভিল হাসপাতালে। শিলং সদর থানা হয়ে নেওয়া হয় মানসিক হাসপাতাল মিমহানসে। এক দিন পর মিমহানস থেকে আবার তাঁকে পাঠানো হয় সিভিল হাসপাতালে। ২০ মে সিভিল হাসপাতাল থেকে নেগ্রিমসে নেওয়া হয়। নেগ্রিমস হাসপাতালের চিকিৎসকদের ছাড়পত্র পাওয়ার পর পুলিশ মঙ্গলবার বিএনপির এই নেতাকে শিলং সদর থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।
কেএইচ





