জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মোবারক হোসাইন বলেছেন, পবিত্র রমজানের শেষ দশকে আমরা উপনীত হয়েছি।
এই মহিমান্বিত মাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে, তা বাস্তব জীবনে প্রতিফলন ঘটাতে হবে।
তাহলেই মানবজাতির ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি অর্জন সম্ভব হবে। রমজানের প্রকৃত শিক্ষাকে বাস্তবজীবনে কাজে লাগানোর মধ্যেই রয়েছে মানবজাতির সর্বাঙ্গীন কল্যাণ। এজন্য মানবজাতির সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা এবং ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
শুক্রবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী শাহআলী থানা আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। থানা সভাপতি মিজানুল হকের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি দৌলত আহমদের পরিচালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন থানা জামায়াতের মজলিশে সূরা সদস্য সাইদুর রহমান, আব্দুস সাত্তার মিয়া, আমজাদ হোসাইন প্রমুখ।
মোবারক হোসাইন আরো বলেন, তাকওয়া অর্জনের মাধ্যমে সমাজের যাবতীয় অন্যায়, অনাচার, অবিচার ও সামাজিক অসঙ্গতির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তোলাই সিয়ামের আসল শিক্ষা।
কিন্তু যারা সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করে সাম্য ও ইনসাফভিত্তিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধেই রাষ্ট্র তার সকল উপায় উপাদান ব্যবহার করছে। ইসলামী নেতৃবৃন্দকে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের উপর নির্যাতনের স্টীমরোলার চালানো হচ্ছে।
রমজান মাসেও গণগ্রেফতার, হত্যা, গুম, নির্যাতন, সন্ত্রাস বন্ধ হয়নি। তিনি সরকারকে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি পরিহার করে অবিলম্বে আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, নায়েবে আমীর আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী ও সেক্রেটারী জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ শীর্ষ নেতাদের ঈদের আগেই নিঃশর্ত মুক্তি দেয়ার দাবী জানান।
এসএইচ





