ভারত ‘১৯৭১’ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে- ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মনোহর পারিকরের এমন বক্তব্যেও তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ক্ষোভ জানিয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেছেন, ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে এবং মহান মুক্তিসংগ্রামে শহীদদের অপমানিত করেছেন। এই বক্তব্যে মাধ্যমেই প্রমানিত হয়েছে ভারত এখনও বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকার করে না। তারা বাংলাদেশকে করদ রাজ্যে পরিনত করার চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, স্বাধীনতার ৪৫ বছরেও বাংলাদেশ মাথা উচু করে দাড়াতে পারে নাই ভারতের অব্যাহত আগ্রাসনের কারণে। ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক হতে হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে কার্যকরী সম্পর্ক। আমরা শুধু ভারতে দিয়ে যাব বিনিময়ে আমরা কিছুই পাবো না তা হতে পারে না। আওয়ামী লীগের মেরুদন্ডহীন আচরনের কারনেই ভারতের মন্ত্রীরা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সম্পর্কে ঔর্দ্ধত্যপর্ণ বক্তব্য রাখার ধৃষ্টতা দেখাচ্ছে। ভারতের মনে রাখা উচিত জাতি হিসাবে আমরা দুর্বল নই। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি, লড়াই করেই ভারতীয় আগ্রাসন রুখবো।

বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফেরিওয়ালাদের উদ্দ্যেশ্যে প্রশ্ন রাখেন ভারতীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতা নিয়ে ঔর্দ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের পর তাদের চেতনাবোধ কোথায় হারিয়ে গেছে ? এখন পর্যন্ত চেতনাধারীদের এই বিষয়ে কোন বক্তব্য কেন নাই ? নাকি ভারতীয় তাবেদারী করতে করতে মেরুদন্ডহীন হয়ে পড়েছেন যে কোন প্রতিবাদ করতে পারছেন না ? নাকি শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ফেরী করেন ?

নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশ ভারতসহ সকলের বন্ধুত্ব চায় এবং সেই বন্ধুত্ব হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে। কোন প্রভুত্ব বাংলাদেশের জনগন অতিতেও মেনে নেয়নি, ভবিষ্যতেও মেনে নিবে না। বাংলাদেশকে কারো কাছে ইজারা দেয়া হয় নাই। শুধুমাত্র ক্ষমতার জন্য যারা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে জলাঞ্চলি দিবে ইতিহাসের কাঠ গড়ায় তাদের বিচার হবে। এক সাগরের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার প্রশ্নে এক চুলও আপোস করা হবে না।

জেড