জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত ও একুশে পদকজয়ী পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক শোক বাণীতে তিনি আরও বলেন, বরেণ্য এই চলচ্চিত্রকারের মৃত্যুতে জাতির যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে তা সহজে পূরণ হবার নয়। বেগম খালেদা জিয়া তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতিও গভীর সমবেদনা জানান।
উল্লেখ্য, রোববার ভোর ৬টায় রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তিনি অনেকদিন ধরেই লিভার ক্যান্সারে ভুগছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর ।
চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলামের মরদেহ ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে কমলাপুর বশির উদ্দীন রোডের বাসায় নেয়া হয়েছে। পরে তার মরদেহ বারডেম হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হবে।
সোমবার সকাল ১০ এফডিসিতে তার প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তার গ্রামের বাড়ি বিক্রমপুরে দাফন করা হবে।
১৯৬১ সালে ফতেহ লোহানীর ‘আছিয়া’ সিনেমার সহকারী পরিচালক হিসেবে চলচ্চিত্রে পদার্পণ করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
চাষী নজরুল ইসলামের নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ যা স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। এরপর তিনি ‘সংগ্রাম’, ‘ভালো মানুষ’, ‘বাজিমাত’, ‘বেহুলা লক্ষিন্দর’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, ‘হাসন রাজা’, ‘মেঘের পরে মেঘ’, ‘শান্তি’, ‘সুভা’র মতো সিনেমা নির্মাণ করেন।
১৯৮২ সালে বুলবুল-কবরী-আনোয়ারাকে নিয়ে ‘দেবদাস’ নির্মাণ করেছিলেন তিনি। ২০১৩ সাল এসে শাকিব খান-অপু বিশ্বাস-মৌসুমীকে নিয়ে তিনি আবারো বানান সিনেমাটি।
১৯৮৬ সালে ‘শুভদা’, ১৯৯৭ সালে ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এরপর তিনি একুশে পদক পেয়েছেন ২০০৪ সালে।
এমএইচ/ এআর





